সংবাদদাতা, তপন: তপনের কাঁঠালপুকুর জুনিয়র হাইস্কুলে ১৮ জন পড়ুয়ার জন্য নেই কোনও স্থায়ী শিক্ষক। চুক্তিভিত্তিক ১ জন কম্পিউটার শিক্ষক এবং ১ জন অবসরপ্রাপ্ত অতিথি শিক্ষক দিয়ে কোনওমতে চলছে স্কুলটি। মিড ডে মিলের দায়িত্ব সামলান পার্শ্ববর্তী কাঁঠালপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ জন শিক্ষক। ক্লাস ঠিকঠাক না হওয়ায় অভিভাবকরা টিসি নিয়ে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করছেন অন্য স্কুলে।
Advertisement
তপন ব্লকের ৯ নম্বর আউটিনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁঠালপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই এই জুনিয়র স্কুলটি। প্রাইমারিতে ৭০ জন পড়ুয়ার জন্য ছয়জন শিক্ষক থাকলেও জুনিয়র হাইস্কুলের ১৮ জন পড়ুয়ার জন্য নেই কোনও স্থায়ী শিক্ষক। একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে অতিথি শিক্ষক হিসেবে রাখা হয়েছে। বালুরঘাট থেকে পড়াতে আসেন তিনি। এর সঙ্গে রয়েছেন চুক্তিভিত্তিক একজন কম্পিউটার শিক্ষক। এক-দুই জন শিক্ষকের পক্ষে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির সমস্ত ক্লাস নেওয়া সম্ভব নয়। অভিযোগ, শিক্ষকের অভাবে প্রতিদিন নিয়মিত সব ক্লাস হয় না। পড়াশোনা ঠিকমতো না হওয়ায় অভিভাবকরা এই স্কুল ছাড়িয়ে তাঁদের সন্তানদের অন্যস্কুলে ভর্তি করাচ্ছেন। স্কুলটিতে সাধারণত তফসিলি জাতি ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে। অভিভাবকরা চাইছেন, শিক্ষক নিয়োগ করা হোক। দক্ষিণ দিনাজপুর ডিপিএসসির চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, অনেক জুনিয়র স্কুলেই এই সমস্যা। এসআইয়ের সঙ্গে কথা বলে কাঁঠালপুকুর জুনিয়র হাইস্কুলের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।
কাঁঠালপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তুহিন ভাদুড়ী বলেন, শিক্ষকের অভাবে বিদ্যালয়ে ঠিকমতো পড়াশোনা না হওয়ায় অনেক অভিভাবক টিসি নিয়ে তাঁদের ছেলেমেয়েদের অন্য স্কুলে ভর্তি করছেন। এখানে যেসব পড়ুয়া রয়েছে, তারা অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের। সেই পরিবারগুলির অনেকে আবার ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক। ফলে তাদের সন্তানদের ভরসা এই স্কুলই। কিন্তু স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় পঠনপাঠনে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
এবিষয়ে কাঁঠালপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রদীপকুমার পাল বলেন, ডিপিএসসি থেকে আমাকে ওই জুনিয়র হাইস্কুলের টিআইসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এক-দুজন শিক্ষক দিয়ে সমস্ত ক্লাস প্রতিদিন নেওয়া সম্ভব হয় না। আমরা যতটা সম্ভব একসঙ্গে তিনটি শ্রেণিকে বসিয়ে ক্লাস করাই।
কাঁঠালপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তুহিন ভাদুড়ী বলেন, শিক্ষকের অভাবে বিদ্যালয়ে ঠিকমতো পড়াশোনা না হওয়ায় অনেক অভিভাবক টিসি নিয়ে তাঁদের ছেলেমেয়েদের অন্য স্কুলে ভর্তি করছেন। এখানে যেসব পড়ুয়া রয়েছে, তারা অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের। সেই পরিবারগুলির অনেকে আবার ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক। ফলে তাদের সন্তানদের ভরসা এই স্কুলই। কিন্তু স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় পঠনপাঠনে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
এবিষয়ে কাঁঠালপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রদীপকুমার পাল বলেন, ডিপিএসসি থেকে আমাকে ওই জুনিয়র হাইস্কুলের টিআইসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এক-দুজন শিক্ষক দিয়ে সমস্ত ক্লাস প্রতিদিন নেওয়া সম্ভব হয় না। আমরা যতটা সম্ভব একসঙ্গে তিনটি শ্রেণিকে বসিয়ে ক্লাস করাই।



