নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: অর্থ ‘নয়ছয়ের’ অভিযোগে আগেই জলপাইগুড়ির এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। সংস্থারই এক প্রাক্তন কর্মী ওই অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা চালানোর খরচ জোগাড়ে ফের টাকা তোলা শুরু করল ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেদন জানিয়ে সংস্থার এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ওই টাকা তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে শহরে ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়েছে।
Advertisement
এদিকে সংস্থার ব্যবহার করা দু’টি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে অভিযোগ জমা পড়তেই তদন্তে নামল জেলা পরিবহণ দপ্তর। সংস্থার কর্ণধারের অবশ্য দাবি, অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগে যাকে আমরা সংস্থা থেকে বের করে দিয়েছি, তিনিই সংস্থার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করেছেন। সংস্থার তহবিল ফাঁকা। সেকারণে মামলার খরচ জোগাড়ে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। পুলিস একের পর এক নথি চাইছে। সেইমতো আমরা জমা দিচ্ছি। অ্যাম্বুলেন্স বিতর্কে সংস্থার কর্ণধারের সাফাই, কাগজপত্রে কিছু সমস্যা ছিল। সেগুলি ঠিক করতে দেওয়া হয়েছে। জেলা আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক নবীন অধিকারী বলেন, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ব্যবহার করা দু’টি অ্যাম্বুলেন্সের ফিটনেস এবং অন্যান্য নথিপত্র ঠিক নেই বলে অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত চলছে। জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, একটি সংস্থার বিরুদ্ধে অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিস তা খতিয়ে দেখছে। ওই সংস্থার কর্ণধারকে যাবতীয় নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
অভিযোগকারীর দাবি, সংস্থার নামে অ্যাকাউন্ট থাকা সত্ত্বেও তাতে কোনও টাকা নেওয়া হয় না। সংস্থার যিনি সর্বেসর্বা, তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে যাবতীয় টাকা নেওয়া হয়। যার কোনও হিসেব নেই। এনিয়ে প্রতিবাদ করতেই তাঁকে সংস্থা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি যে দু’টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে, একটিও সংস্থার নামে কেনা নয়। একটিরও ফিটনেস ও কাগজপত্র ঠিক নেই। এনিয়ে সংস্থার কর্ণধারের দাবি, একটি অ্যাম্বুলেন্স তাঁরা কিনে নিয়েছেন। অন্যটির কিস্তি মেটাচ্ছেন। যাঁদের নামে অ্যাম্বুলেন্স, তাঁরাই গাড়ির কাগজপত্র ঠিক করবেন।
অভিযোগকারীর দাবি, সংস্থার নামে অ্যাকাউন্ট থাকা সত্ত্বেও তাতে কোনও টাকা নেওয়া হয় না। সংস্থার যিনি সর্বেসর্বা, তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে যাবতীয় টাকা নেওয়া হয়। যার কোনও হিসেব নেই। এনিয়ে প্রতিবাদ করতেই তাঁকে সংস্থা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি যে দু’টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে, একটিও সংস্থার নামে কেনা নয়। একটিরও ফিটনেস ও কাগজপত্র ঠিক নেই। এনিয়ে সংস্থার কর্ণধারের দাবি, একটি অ্যাম্বুলেন্স তাঁরা কিনে নিয়েছেন। অন্যটির কিস্তি মেটাচ্ছেন। যাঁদের নামে অ্যাম্বুলেন্স, তাঁরাই গাড়ির কাগজপত্র ঠিক করবেন।



