নির্মাল্য সেনগুপ্ত, রায়গঞ্জ ও মুতাহার কামাল, চোপড়া: গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়েই লক্ষ লক্ষ টাকা হাতাচ্ছে সাইবার প্রতারকরা। গত তিনদিন ধরে ট্যাব কেলেঙ্কারির তদন্তে উত্তর দিনাজপুরে লাগাতার অভিযানে এমনই তথ্য সামনে আসছে গোয়েন্দা সূত্রে। বুধবারও ট্যাবের টাকা আত্মসাতের দায়ে চোপড়ার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ঘিরনিগাঁও এলাকা থেকে কৃষ্ণপদ বর্মণ ও শরিফুল ইসলাম নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেন কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দারা। তাদের দু’দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই নিয়ে জেলায় গ্রেপ্তার হল ৫ জন। মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিস চোপড়া থেকেই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে দাবি, কিছুদিন ধরেই ট্যাবের টাকা সরানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে চোপড়ার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রাম থেকে। যা দেখেশুনে তাজ্জব তদন্তকারীরাও। এমনকি জামতারা গ্যাংয়ের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার সম্ভাবনাও প্রবল।
গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে চা বাগান ও ধানখেতে ঘেরা ঘিরনিগাঁওয়ে দুঃস্থদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে সফট টার্গেট বানিয়েছে সাইবার প্রতারকরা। বিষয়টি যেন আরও স্পষ্ট হয়েছে বুধবার কলকাতা পুলিসের গ্রেপ্তারির পর। কৃষ্ণপদ, শরিফুলদের বাড়ির লোক সিতেন বর্মণ, জরিফুল ইসলামদের কথায়, এবছর পুজোর আগে কয়েকজন এসে ওদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নেয়। প্রতারকরা লোভ দেখিয়ে বলে বিনা পরিশ্রমে টাকা রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই চলে আসবে হাজার হাজার টাকা। তাই তাঁরা সাদা মনে নিজেদের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে দিয়েছিল। এর বদলে এজেন্টদের দাবি ছিল, ৫০ শতাংশ টাকা। পুজোর সময় কয়েকজন এসে ওদের জানায় ব্যাঙ্কের পাসবইয়ে টাকা জমা হয়ে গিয়েছে। তার জন্য কৃষ্ণপদ ও শরিফুলের কাছে একটা বায়োমেট্রিক মেশিন এনে আঙুলের ছাপও নিয়ে যায়। যতদূর জানি কৃষ্ণপদ, শরিফুলরা ৫ হাজার টাকা করে পুজোর সময় পেয়েছে। কিন্তু ওরা সাইবার ক্রাইমের বিন্দু বিসর্গ কিছু জানে না। এ ধরনের অপরাধে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ওদের লেখাপড়ার দৌড়ও সীমিত। শেষপর্যন্ত শুনেছি ওদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে সামনে রেখেই এই প্রতারণা হয়েছে। মাস্টারমাইন্ডদের পুলিস পাকড়াও করুক। তাহলেই সব কিছু জলের মতো পরিস্কার হয়ে যাবে।
কীভাবে এই প্রতারণার জাল ছড়িয়েছে? গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সাইবার প্রতারকদের এজেন্ট হিসেবে এলাকায় ঘুরে ঘুরে দুঃস্থ, গরিব মানুষকে টাকার লোভ দেখিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সংগ্রহ করেছে কিছু লোক। তারপর ওই অ্যাকাউন্ট নম্বরগুলিকে ছাত্রছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের সঙ্গে পরিবর্তন করে দিয়েছে। এরপর যখন সরকার তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের টাকা ছেড়েছে, অন্য অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। এতে মাস্টারমাইন্ডদের সুবিধা হয়েছে। তারা আড়ালে থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পুলিস সরাসরি তাঁদের নাগাল পেতে হিমশিম খাচ্ছে। তবুও মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিস যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তাদের মধ্যে সাইবার প্রতারণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার একটা যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সম্প্রতি সরশুনা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন সরশুনা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। ওই স্কুলের ৩০ জন ছাত্রীর টাকা চোপড়ায় ধৃত দু’জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। এর ইঙ্গিত মিলেছে এদিন ইসলামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়ালের বক্তব্যে। তিনি বলেছেন সরশুনা বালিকা বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা ধৃতদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।
গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে চা বাগান ও ধানখেতে ঘেরা ঘিরনিগাঁওয়ে দুঃস্থদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে সফট টার্গেট বানিয়েছে সাইবার প্রতারকরা। বিষয়টি যেন আরও স্পষ্ট হয়েছে বুধবার কলকাতা পুলিসের গ্রেপ্তারির পর। কৃষ্ণপদ, শরিফুলদের বাড়ির লোক সিতেন বর্মণ, জরিফুল ইসলামদের কথায়, এবছর পুজোর আগে কয়েকজন এসে ওদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নেয়। প্রতারকরা লোভ দেখিয়ে বলে বিনা পরিশ্রমে টাকা রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই চলে আসবে হাজার হাজার টাকা। তাই তাঁরা সাদা মনে নিজেদের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে দিয়েছিল। এর বদলে এজেন্টদের দাবি ছিল, ৫০ শতাংশ টাকা। পুজোর সময় কয়েকজন এসে ওদের জানায় ব্যাঙ্কের পাসবইয়ে টাকা জমা হয়ে গিয়েছে। তার জন্য কৃষ্ণপদ ও শরিফুলের কাছে একটা বায়োমেট্রিক মেশিন এনে আঙুলের ছাপও নিয়ে যায়। যতদূর জানি কৃষ্ণপদ, শরিফুলরা ৫ হাজার টাকা করে পুজোর সময় পেয়েছে। কিন্তু ওরা সাইবার ক্রাইমের বিন্দু বিসর্গ কিছু জানে না। এ ধরনের অপরাধে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ওদের লেখাপড়ার দৌড়ও সীমিত। শেষপর্যন্ত শুনেছি ওদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে সামনে রেখেই এই প্রতারণা হয়েছে। মাস্টারমাইন্ডদের পুলিস পাকড়াও করুক। তাহলেই সব কিছু জলের মতো পরিস্কার হয়ে যাবে।
কীভাবে এই প্রতারণার জাল ছড়িয়েছে? গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সাইবার প্রতারকদের এজেন্ট হিসেবে এলাকায় ঘুরে ঘুরে দুঃস্থ, গরিব মানুষকে টাকার লোভ দেখিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সংগ্রহ করেছে কিছু লোক। তারপর ওই অ্যাকাউন্ট নম্বরগুলিকে ছাত্রছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের সঙ্গে পরিবর্তন করে দিয়েছে। এরপর যখন সরকার তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের টাকা ছেড়েছে, অন্য অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। এতে মাস্টারমাইন্ডদের সুবিধা হয়েছে। তারা আড়ালে থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পুলিস সরাসরি তাঁদের নাগাল পেতে হিমশিম খাচ্ছে। তবুও মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিস যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তাদের মধ্যে সাইবার প্রতারণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার একটা যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সম্প্রতি সরশুনা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন সরশুনা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। ওই স্কুলের ৩০ জন ছাত্রীর টাকা চোপড়ায় ধৃত দু’জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। এর ইঙ্গিত মিলেছে এদিন ইসলামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়ালের বক্তব্যে। তিনি বলেছেন সরশুনা বালিকা বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা ধৃতদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।



