নিজস্ব প্রতিনিধি, অযোধ্যা: কোনওরকম অভিজ্ঞতা নেই। নেই পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণও। কিন্তু, তা সত্ত্বেও শুধুমাত্র হুজুগে পড়ে কিংবা ভিডিও করার নেশায় বনদপ্তরের নজর এড়িয়েই পুরুলিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ে ট্রেকিং করতে উঠে পড়ছেন পর্যটকরা। বিষয়টি নজরে আছে বনদপ্তরের। তবে দপ্তরের কর্মী সংখ্যা কম থাকায় অনভিজ্ঞ পর্যটকদের সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
Advertisement
রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম পুরুলিয়া। শীত শুরু হতেই পুরুলিয়ায় শুরু হয়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। এতদিন অযোধ্যা পাহাড়ের আপার ড্যাম, লোয়ার ড্যাম, ময়ূর পাহাড়, মার্বেল লেক, মুরগুমা ড্যাম, খয়রাবেড়া ড্যাম, সুইসাইড পয়েন্ট, চড়িদার মুখোশ গ্রাম, মাঠার জঙ্গল, পাখি পাহাড়েই পর্যটকরা ভিড় জমাতেন। তবে, ফেসবুক ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে পুরুলিয়ার বিভিন্ন অফবিট জায়গা এখন নতুন করে টানতে শুরু করেছে পর্যটকদের। পর্যটকদের এখন চাই অ্যাডভেঞ্চার। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে শাহরুখ খানের মতো দু’হাত প্রশস্ত করে একটা ছবি তুলে ফেসবুকের প্রোফাইল ফটো না করতে পারলে যেন পুরুলিয়া ভ্রমণই বৃথা! সেই নেশাকে পুঁজি করেই ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে উঠে পড়ছেন ‘অনভিজ্ঞ’ পর্যটকরা।
বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘এই সমস্যাটা এখন আরও বেশি করে বাড়তে শুরু করেছে। বছরখানেক আগে অযোধ্যা সার্কিটের একটি পাহাড়ে এরকমই হুজুগে পড়ে উঠে পড়েছিলেন কিছু পর্যটক। কিন্তু, প্রশিক্ষণ না থাকায় তাঁরা কিছুতেই আর নামতে পারছিলেন না। পরে বনদপ্তরের টোল-ফ্রি নম্বরে তাঁরা ফোন করেন। বনদপ্তরের কর্মীরা গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন।’
ফেসবুক ইউটিউব খুললেই এখন পুরুলিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ে ওঠার ভিডিও দেখতে পাওয়া যায়। মাঠাবুরু, গজাবুরু, গরগাবুরু, চ্যামটাবুরু বিভিন্ন পাহাড়ে চড়ার ভিডিও রয়েছে। পর্যটকদের প্রশিক্ষণ বলতে কয়েকবার দেখা সেই ভিডিও! যা দেখেই পাহাড়ে ওঠার ঝুঁকি নিচ্ছেন পর্যটকরা। প্রতি পদে পদে লুকিয়ে থাকছে বিপদ। বন্যা জীবজন্তুর আক্রমণ থেকে শুরু করে পাথরে পা হড়কে গিয়ে বিপদের আশঙ্কা তো রয়েইছে। তবে, অনেকে আবার সরকারি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গাইডদের সঙ্গে নেন। পুরুলিয়ার বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, পাহাড়ে উঠতে গেলে বনদপ্তরের অনুমোদন নিতে হয়। শীতে পুরুলিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ে শৈলারোহণের প্রশিক্ষণ দিতে দক্ষিণবঙ্গের বহু পর্বতারোহণ ক্লাবশিবিরের আয়োজন করে থাকে। তার জন্য পুরুলিয়ার বন দপ্তরের কাছে আয়োজনকারী ক্লাবগুলিকে ফি দিতে হয়। তবে, তার বাইরেও বহু মানুষ পুরুলিয়া বেড়াতে এসে পাহাড়ে ওঠেন। যাঁদের পাহাড়ে ওঠার সম্পর্কে ন্যূনতম অভিজ্ঞতাটুকুও নেই। সেই সমস্ত পর্যটকদের নিয়েই ভয় বেশি বনদপ্তরের।
বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘এই সমস্যাটা এখন আরও বেশি করে বাড়তে শুরু করেছে। বছরখানেক আগে অযোধ্যা সার্কিটের একটি পাহাড়ে এরকমই হুজুগে পড়ে উঠে পড়েছিলেন কিছু পর্যটক। কিন্তু, প্রশিক্ষণ না থাকায় তাঁরা কিছুতেই আর নামতে পারছিলেন না। পরে বনদপ্তরের টোল-ফ্রি নম্বরে তাঁরা ফোন করেন। বনদপ্তরের কর্মীরা গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন।’
ফেসবুক ইউটিউব খুললেই এখন পুরুলিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ে ওঠার ভিডিও দেখতে পাওয়া যায়। মাঠাবুরু, গজাবুরু, গরগাবুরু, চ্যামটাবুরু বিভিন্ন পাহাড়ে চড়ার ভিডিও রয়েছে। পর্যটকদের প্রশিক্ষণ বলতে কয়েকবার দেখা সেই ভিডিও! যা দেখেই পাহাড়ে ওঠার ঝুঁকি নিচ্ছেন পর্যটকরা। প্রতি পদে পদে লুকিয়ে থাকছে বিপদ। বন্যা জীবজন্তুর আক্রমণ থেকে শুরু করে পাথরে পা হড়কে গিয়ে বিপদের আশঙ্কা তো রয়েইছে। তবে, অনেকে আবার সরকারি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গাইডদের সঙ্গে নেন। পুরুলিয়ার বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, পাহাড়ে উঠতে গেলে বনদপ্তরের অনুমোদন নিতে হয়। শীতে পুরুলিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ে শৈলারোহণের প্রশিক্ষণ দিতে দক্ষিণবঙ্গের বহু পর্বতারোহণ ক্লাবশিবিরের আয়োজন করে থাকে। তার জন্য পুরুলিয়ার বন দপ্তরের কাছে আয়োজনকারী ক্লাবগুলিকে ফি দিতে হয়। তবে, তার বাইরেও বহু মানুষ পুরুলিয়া বেড়াতে এসে পাহাড়ে ওঠেন। যাঁদের পাহাড়ে ওঠার সম্পর্কে ন্যূনতম অভিজ্ঞতাটুকুও নেই। সেই সমস্ত পর্যটকদের নিয়েই ভয় বেশি বনদপ্তরের।



