নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: শনিবার ইতিহাস রচিত হল অযোধ্যা পাহাড়ে। রাজ্যের মধ্যে প্রথম নাইট ম্যারাথন করে তাক লাগিয়ে দিল পুরুলিয়া জেলা পুলিস। অযোধ্যার হিলটপে বসল পুলিস কর্তাদের চাঁদের হাট। মাওবাদী আমলে পুরুলিয়ায় দাপটের সঙ্গে কাজ করে যাওয়া পুলিস আধিকারিকরা শোনালেন অযোধ্যার তখন-এখনের গল্প। একদা মাওবাদী অধ্যুষিত অযোধ্যা বর্তমান সরকারের আমলে কীভাবে বদলে গিয়েছে, তা তাঁরা নিজেদের বক্তব্যে তুলে ধরলেন।
Advertisement
অযোধ্যার হিলটপ থেকে আপার ড্যাম পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় পাঁচশোর বেশি প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। এদিন নাইট ম্যারাথনের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিস কমিশনার তথা এডিজি এসটিএফ বিনীত গোয়েল, এডিজি ওয়েস্টার্ন অশোককুমার প্রসাদ, আইজি বাঁকুড়া শিসরাম ঝাঝোরিয়া, আসানসোল-দুর্গাপুরের পুলিস কমিশনার সুনীল চৌধুরী, বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তিওয়ারি প্রমুখ। ছিলেন মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডু, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাত, বাঘমুণ্ডির বিধায়ক সুশান্ত মাহাতও। রাজ্যের মধ্যে প্রথম নাইট ম্যারাথনের আয়োজনের ‘নায়ক’ তথা পুরুলিয়া জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসায় প্রত্যেকে পঞ্চমুখ হলেন। মাওবাদী দমনে তাঁর ভূমিকা যে অনস্বীকার্য, তাও মনে করান পদস্থ পুলিস কর্তারা।
বিনীতবাবু বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি পুরুলিয়ার পুলিস সুপার পদে ছিলেন। ২০১১ সালেও তিনি মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন। প্রাক্তন পুলিস কমিশনার বলেন, এক সময় মাওবাদীদের দাপটে এই এলাকার মানুষকে ভয়ে প্রতিদিন কাটাতে হতো। অথচ গত ১৩-১৪ বছর ধরে এলাকা পুরোপুরি শান্ত। অশান্তির কোনও ঘটনায় ঘটেনি। এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য পুলিস।
বিনীতবাবু বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি পুরুলিয়ার পুলিস সুপার পদে ছিলেন। ২০১১ সালেও তিনি মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন। প্রাক্তন পুলিস কমিশনার বলেন, এক সময় মাওবাদীদের দাপটে এই এলাকার মানুষকে ভয়ে প্রতিদিন কাটাতে হতো। অথচ গত ১৩-১৪ বছর ধরে এলাকা পুরোপুরি শান্ত। অশান্তির কোনও ঘটনায় ঘটেনি। এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য পুলিস।



