অযোধ্যা: অযোধ্যায় দলিত তরুণীকে ধর্ষণ ও খুন ঘিরে তোলপাড় উত্তপ্রদেশের রাজনীতি। ঘটনায় যোগীরাজ্যের পুলিসের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে সরব বিরোধীরা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এরইমধ্যে ন্যায় বিচারের দাবি জানাতে গিয়ে রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনেই কেঁদে ফেললেন ফৈজাবাদের সমাজবাদী পার্টি সাংসদ অবধেশ প্রসাদ। আবেগবিহ্বল গলায় তিনি বললেন, ‘হে পুরুষোত্তম রাম, মা সীতা আপনারা কোথায়? অযোধ্যায় এই দিনও দেখতে হল।’
Advertisement
অবধেশের সংসদীয় কেন্দ্রেরই অন্তর্গত অযোধ্যা। রামমন্দিরের হাওয়া তুলে লোকসভা ভোটে প্রচারে নামলেও ফৈজাবাদে অখিলেশ যাদবের দলের কাছে হার মানতে হয়েছিল বিজেপিকে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি এখানকার মিল্কিপুর বিধানসভা আসনের উপ নির্বাচন। অবধেশ সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি খালি হয়। সেখানে ভোটে জিতে মুখরক্ষায় মরিয়া বিজেপি। এরইমধ্যে দলিত তরুণীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে বিজেপি।
শনিবার অযোধ্যার একটি খালে ২২ বছরের ওই তরুণীর হাত-পা বাঁধা নগ্ন দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর চোখও খুবলে নেওয়া হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর থেকে তাঁর আর খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের দাবি, থানায় গেলেও পুলিস তাদের ফিরিয়ে দেয়। সেই প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেছেন, ‘অযোধ্যায় এই ঘটনা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনদিন ধরে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। তাতে গুরুত্ব দিলে হয়তো একটা জীবন বেঁচে যেত। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের আমলে দলিতদের উপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ একইসুরে প্রিয়াঙ্কাও বলেছেন, ‘বিজেপির জঙ্গলরাজে দলিত, আদিবাসী, গরিবদের চিৎকার কেউ শুনবে না। দলিতদের উপর অত্যাচার নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছে সরকার।’
এদিন সপার দলিত সাংসদ পুরো ঘটনায় সরকারকে একহাত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাকে দিল্লি যেতে দিন। লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে বিষয়টি তুলে ধরব। এই ঘটনায় ন্যায়বিচার না পেলে সাংসদ পদ ছেড়ে দেব। মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ আমরা। ইতিহাস আমাদের বিচার কীভাবে করবে?’
শনিবার অযোধ্যার একটি খালে ২২ বছরের ওই তরুণীর হাত-পা বাঁধা নগ্ন দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর চোখও খুবলে নেওয়া হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর থেকে তাঁর আর খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের দাবি, থানায় গেলেও পুলিস তাদের ফিরিয়ে দেয়। সেই প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেছেন, ‘অযোধ্যায় এই ঘটনা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনদিন ধরে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। তাতে গুরুত্ব দিলে হয়তো একটা জীবন বেঁচে যেত। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের আমলে দলিতদের উপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ একইসুরে প্রিয়াঙ্কাও বলেছেন, ‘বিজেপির জঙ্গলরাজে দলিত, আদিবাসী, গরিবদের চিৎকার কেউ শুনবে না। দলিতদের উপর অত্যাচার নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছে সরকার।’
এদিন সপার দলিত সাংসদ পুরো ঘটনায় সরকারকে একহাত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাকে দিল্লি যেতে দিন। লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে বিষয়টি তুলে ধরব। এই ঘটনায় ন্যায়বিচার না পেলে সাংসদ পদ ছেড়ে দেব। মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ আমরা। ইতিহাস আমাদের বিচার কীভাবে করবে?’



