নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে ৫০০ টাকার জাল নোট! বৃহস্পতিবার একথা স্বীকার করে নিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। কিন্তু তা রোখার উপায় কী? এই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট জবাব দিতে পারলেন না। বৃহস্পতিবার অর্থ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ডাকা হয়েছিল আরবিআই গভর্নরকে। আলোচনার বিষয় ছিল, ‘আরবিআই’জ ইভলভিং রোল ইন ইন্ডিয়াজ ডায়ানামিক ইকনমি।’ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিজেপি সাংসদ ভতৃহরি মহতাব। সেখানেই কমিটির সদস্যদের হাজারো প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সঞ্জয় মালহোত্রাকে।
বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, সেখানে সাইবার ক্রাইম থেকে শুরু করে জাল নোট, উইলফুল ডিফল্টার, বেটিং অ্যাপ, ব্যাঙ্ক শাখা ইত্যাদির মতো ২৭টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তারই মধ্যে উঠে আসে জাল নোট প্রসঙ্গ। দিন দিন কেন বাড়ছে জাল নোটের সংখ্যা? জানতে চান কমিটি সদস্য সাংসদদের সিংহভাগই। সঞ্জয় মালহোত্রা জবাব দেন, বাজারে এখন ৬ কোটি পিসেরও বেশি ৫০০ টাকার নোট ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর গত এক বছরে ১ লক্ষেরও বেশি জাল ৫০০ টাকার নোট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শতাংশের হারে এটা সামান্যই বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। তাতে অবশ্য কমিটির সদস্যদের উদ্বেগ কমেনি। আরবিআই গভর্নর এদিন যা হিসেব দিয়েছেন, তাতে অঙ্কের বিচারে প্রায় ৬ কোটি মূল্যের ৫০০ টাকার জাল নোট ধরা পড়েছে। আর তা মোটেই কম নয় বলেই ওয়াকিবহাল মহলের মত। এদিনের বৈঠকে আরবিআই গভর্নর স্পষ্ট আকারে জানিয়েছেন, ৫০০ টাকা নোট বাজার থেকে তোলা হচ্ছে না। অর্থাৎ তা বন্ধ হচ্ছে না। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, এদিনের বৈঠকে উল্লেখযোগ্য আরও একটি কথা বলেছেন তিনি। জানিয়েছেন, দু’হাজার টাকার নোট বাজারে আর নেই। ছাপাও হচ্ছে না। তবে তার মূল্য শেষ করে দেওয়া হয়নি (নট ইনভ্যালিড)। তবে এখনও যদি কারও কাছে দু’হাজার টাকার নোট থাকে, এবং তিনি ব্যাঙ্কে জমা করতে চান, তা কীভাবে সম্ভব সেব্যাপারে কোনও ব্যাখা দেননি আরবিআই গভর্নর।