সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: সুঠাম শরীর। মাঝারি উচ্চতা। পরনে ব্লেজার ও জিন্স। হাতে স্মার্ট ফোন। একদম ঝাচকচকে ‘লুক’। এমন বেশে হোটেলে আয়োজিত বিয়ের আসরে শামিল হয়ে লুটপাট চালাচ্ছে মধ্যপ্রদেশের একটি গ্যাং! ইতিমধ্যে শিলিগুড়িতে এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে। আসন্ন বিয়ের মরশুমের আগে সংশ্লিষ্ট গ্যাং মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়ে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের। একইসঙ্গে হোটেল ব্যবসায়ীরাও উদ্বিগ্ন। ইতিমধ্যে ব্যবসায়ীরা হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও চাঙ্গা করার পরিকল্পনা নিয়েছেন।
Advertisement
গত ১০ ডিসেম্বর শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন মাটিগাড়ায় একটি বিলাসবহুল হোটেলে বিয়ের আসর বসে। সেই আসর থেকে সোনা ও হিরের গয়না সহ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি হয়। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে মধ্যপ্রদেশের একটি গ্যাংয়ের হদিশ পায় পুলিস। তারা ওই রাজ্যে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া গয়না উদ্ধার করলেও গ্যাংয়ের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই হোটেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে মাঝারি উচ্চতার দু’জনের ছবি মেলে। ব্লেজার ও জিন্স পরনের দুই যুবক দৃশ্যতই স্মার্ট। সেই ছবির সূত্র ধরেই মধ্যপ্রদেশের ওই গ্যাংয়ের হদিশ মেলে। ওই রাজ্যের বোরা থানার করিয়া, হুলখেরি ও গুলখেরি এই তিনটি গ্রামে তাদের ডেরা। এরা মূলত চুরির সঙ্গে জড়িত। এদের টার্গেই হোটেল ও রিসর্টে বসা বিয়ের আসর। আয়রন করা ঝাঁ চকচকে পোশাক পরে বিয়ের অনুষ্ঠানের অতিথিদের সঙ্গে মিশে যায়। সুযোগ বুঝে অপারেশন চালিয়ে চম্পট দেয়। কখনও কখনও গ্রামের মহিলা ও শিশুদেরও অপারেশনে ব্যবহার করে গ্যাংয়ের মাতব্বররা।
মাটিগাড়ায় হোটেলের ওই চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে প্রায় এক সপ্তাহ মধ্যপ্রদেশে ঘাঁটি গেড়েছিল শিলিগুড়ির পুলিস। তারা মধ্যপ্রদেশ পুলিসের কাছ থেকে ওই গ্যাং সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য পেয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের এক অফিসার বলেন, ওই গ্যাং মূলত রাজস্থান, গুজরাত, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে অপারেশন চালাত। এই প্রথম তারা শিলিগুড়িতে হানা দেয়। কিন্তু গ্যাংয়ের সদস্যদের পাকড়াও করা মুশকিল। মধ্যপ্রদেশের করিয়া, হুলখেরি ও গুলখেরি গ্রামের রাস্তায় পুলিস ভ্যান ঢুকলেই সতর্ক হয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তারা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। একাধিকবার গ্রামগুলিতে হানা দিয়েও অভিযুক্তদের নাগাল মেলেনি। অভিযানের সময় পুলিসকে বাধা দেয় গ্রামের মহিলারা। কাজেই, নয়া ওই গ্যাংয়ের বিষয়ে পুলিসকে সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
এদিকে, শিলিগুড়ি এখন অন্যতম ‘ওয়েডিং ডেস্টিনেশন’। গত কয়েক বছর ধরে এখানকার হোটেল ও রিসর্টে বসছে বিয়ের আসর। জানুয়ারি মাসেও ২০-২৫টি হোটেলে বসবে বিয়ের আসর। যারজন্য হোটেলগুলি বুকিং শুরু হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রদেশের ওই গ্যাং নিয়ে হোটেল মালিকরাও দুশ্চিন্তায়। গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, হোটেলে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাতে কোনও ধরনের চুরির ঘটনা না ঘটে সেব্যাপারে সতর্ক রয়েছি। বিয়ের আসরে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে। পুলিসের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই হোটেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে মাঝারি উচ্চতার দু’জনের ছবি মেলে। ব্লেজার ও জিন্স পরনের দুই যুবক দৃশ্যতই স্মার্ট। সেই ছবির সূত্র ধরেই মধ্যপ্রদেশের ওই গ্যাংয়ের হদিশ মেলে। ওই রাজ্যের বোরা থানার করিয়া, হুলখেরি ও গুলখেরি এই তিনটি গ্রামে তাদের ডেরা। এরা মূলত চুরির সঙ্গে জড়িত। এদের টার্গেই হোটেল ও রিসর্টে বসা বিয়ের আসর। আয়রন করা ঝাঁ চকচকে পোশাক পরে বিয়ের অনুষ্ঠানের অতিথিদের সঙ্গে মিশে যায়। সুযোগ বুঝে অপারেশন চালিয়ে চম্পট দেয়। কখনও কখনও গ্রামের মহিলা ও শিশুদেরও অপারেশনে ব্যবহার করে গ্যাংয়ের মাতব্বররা।
মাটিগাড়ায় হোটেলের ওই চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে প্রায় এক সপ্তাহ মধ্যপ্রদেশে ঘাঁটি গেড়েছিল শিলিগুড়ির পুলিস। তারা মধ্যপ্রদেশ পুলিসের কাছ থেকে ওই গ্যাং সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য পেয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের এক অফিসার বলেন, ওই গ্যাং মূলত রাজস্থান, গুজরাত, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে অপারেশন চালাত। এই প্রথম তারা শিলিগুড়িতে হানা দেয়। কিন্তু গ্যাংয়ের সদস্যদের পাকড়াও করা মুশকিল। মধ্যপ্রদেশের করিয়া, হুলখেরি ও গুলখেরি গ্রামের রাস্তায় পুলিস ভ্যান ঢুকলেই সতর্ক হয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তারা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। একাধিকবার গ্রামগুলিতে হানা দিয়েও অভিযুক্তদের নাগাল মেলেনি। অভিযানের সময় পুলিসকে বাধা দেয় গ্রামের মহিলারা। কাজেই, নয়া ওই গ্যাংয়ের বিষয়ে পুলিসকে সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
এদিকে, শিলিগুড়ি এখন অন্যতম ‘ওয়েডিং ডেস্টিনেশন’। গত কয়েক বছর ধরে এখানকার হোটেল ও রিসর্টে বসছে বিয়ের আসর। জানুয়ারি মাসেও ২০-২৫টি হোটেলে বসবে বিয়ের আসর। যারজন্য হোটেলগুলি বুকিং শুরু হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রদেশের ওই গ্যাং নিয়ে হোটেল মালিকরাও দুশ্চিন্তায়। গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, হোটেলে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাতে কোনও ধরনের চুরির ঘটনা না ঘটে সেব্যাপারে সতর্ক রয়েছি। বিয়ের আসরে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে। পুলিসের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হবে।



