সংবাদদাতা, কান্দি: পিকনিকের নামে দেদার মদ্যপান। আর আসর শেষে আত্মীয়র বাড়িতে এসে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। রবিবার রাতের ওই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বড়ঞা থানার গৌরীনগর গ্রামে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম দেবব্রত ঘোষ(৪৪)। তিনি গৌরীনগর গ্রামের বাসিন্দা। এই ঘটনায় মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে এক মহিলা সহ তিনজনের নামে খুনের অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিস দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিস।
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ দেবব্রতবাবুর পরিবারের লোকজন একসঙ্গে বসে গল্প করছিলেন। সেইসময় মৃতের এক শ্যালক এসে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান পাশের মাঠে পিকনিক করার নামে। সেখানে মৃতের এক ভায়রাভাইয়ের ছেলেও ছিল। অভিযোগ, ওই মাঠে বসেই তিনজনে দীর্ঘক্ষণ ধরে নেশা করে। এরপর রাত ৯টা নাগাদ দেবব্রতবাবুকে নিজের বাড়ি পৌঁছে না দিয়ে পাশেই তাঁর ভায়রাভাইয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান।
মৃতের স্ত্রী বাণী ঘোষ বলেন, আমার স্বামীকে পিকনিক করার নামে ভাই ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। এরপর রাত ৯টা নাগাদ দিদির বাড়ি থেকে খবর আসে স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সেখানে গিয়ে দেখি স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। আমার স্বামী সুস্থ ছিলেন এভাবে উনি মারা যেতে পারেন না। একটি পুরনো আক্রোশ থেকে আমার স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।
বাণীদেবী বলেন, কয়েকবছর আগে দিদির ছেলে একটি মেয়েকে নিয়ে এসে আমাদের বাড়িতে আশ্রয় চেয়েছিল। কিন্তু আমরা তাতে রাজি না হয়ে ওদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম। সেই থেকে আমাদের উপর ওদের আক্রোশ ছিল। যদিও বাণীদেবীর দিদি ববি ঘোষ বলেন, রাতে আমার ছেলে ওর মেশোমশাইকে সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে এসেছিল ঠিকই। কিন্তু মেরে ফেলার অভিযোগ ঠিক নয়। ওরা মেঝেতে বসে আমাকে খেতে দিতে বলে। আমি রুটি ও আলুভাজা দিয়েছিলাম। সেটাই দেবব্রতর গলায় আটকে গিয়েছিল। ও অসুস্থ হলে আমি মুখে মাথায় জল দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টাও করেছিলাম। বোনের বাড়িতে খবর পাঠাই। এদিন সকাল থেকেই ওরা মদ্যপান করছিল।
মৃতের স্ত্রী বাণী ঘোষ বলেন, আমার স্বামীকে পিকনিক করার নামে ভাই ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। এরপর রাত ৯টা নাগাদ দিদির বাড়ি থেকে খবর আসে স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সেখানে গিয়ে দেখি স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। আমার স্বামী সুস্থ ছিলেন এভাবে উনি মারা যেতে পারেন না। একটি পুরনো আক্রোশ থেকে আমার স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।
বাণীদেবী বলেন, কয়েকবছর আগে দিদির ছেলে একটি মেয়েকে নিয়ে এসে আমাদের বাড়িতে আশ্রয় চেয়েছিল। কিন্তু আমরা তাতে রাজি না হয়ে ওদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম। সেই থেকে আমাদের উপর ওদের আক্রোশ ছিল। যদিও বাণীদেবীর দিদি ববি ঘোষ বলেন, রাতে আমার ছেলে ওর মেশোমশাইকে সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে এসেছিল ঠিকই। কিন্তু মেরে ফেলার অভিযোগ ঠিক নয়। ওরা মেঝেতে বসে আমাকে খেতে দিতে বলে। আমি রুটি ও আলুভাজা দিয়েছিলাম। সেটাই দেবব্রতর গলায় আটকে গিয়েছিল। ও অসুস্থ হলে আমি মুখে মাথায় জল দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টাও করেছিলাম। বোনের বাড়িতে খবর পাঠাই। এদিন সকাল থেকেই ওরা মদ্যপান করছিল।



