Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ওটিপি পাঠিয়ে রেশন সামগ্রীর বদলে বাড়িতে বসে অ্যাকাউন্টে মিলছে টাকা, নতুন কৌশল ডিলারদের

ওটিপি পাঠিয়ে রেশন সামগ্রীর বদলে বাড়িতে বসে অ্যাকাউন্টে মিলছে টাকা, নতুন কৌশল ডিলারদের
  • ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: রেশন দোকানে না গিয়ে ঘরে বসে চাল,আটার বদলে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে টাকা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে নয়া কৌশলে চলছে অবৈধ কারবার। অভিযোগ, একাংশ গ্রাহক রেশন সামগ্রী তুলে তা খোলা বাজারে বিক্রি করছিলেন। খাদ্যদপ্তরের অভিযান শুরু হতেই নয়া কৌশল নিয়েছে রেশন ডিলারদের একাংশ। এখন রেশন সামগ্রী না নিয়ে অনেকে তার বদলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। এজন্য উপভোক্তাদের রেশন দোকানে যেতে হচ্ছে না। পুরো কারবার চলছে বাড়ি আর রেশন দোকান থেকে।  
Advertisement
রেশন সামগ্রী না তুলে তার বদলে কীভাবে টাকা নেওয়ার কারবার চলছে? রেশন ডিলারদের ই-পজ মেশিন থেকে উপভোক্তাদের মোবাইলে ওটিপি চলে যাচ্ছে। উপভোক্তারা বাড়িতে বসে সেই ওটিপি ডিলারকে দিয়ে দিচ্ছেন। উপভোক্তার বরাদ্দ সামগ্রী রেশন দোকানেই রেখে দিয়ে তার বদলে ওই উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন ডিলার। 
তারপর সেই চাল, আটা খোলা বাজার বা কোনও কারবারির কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বেশি দামে। সেই চাল আবার রাইস মিল ঘুরে বস্তাবন্দি হয়ে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এই অবৈধ কারবার জেলাজুড়ে চললেও খাদ্যদপ্তর নীরব বলে অভিযোগ। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ামক ফুরবা ভুটিয়া।
এমআর ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সম্পাদক ভূপেশ ঘোষ বলেন, আমরা রেশনের চাল, আটা বিক্রি নিয়ে খাদ্যদপ্তরে অভিযোগ করেছিলাম। কোথায় কোথায় অবৈধভাবে এসব বিক্রি হয়, সেই তথ্য জানিয়েছিলাম। ফড়েরা এখন ভয়ে আর চাল, আটা কিনতে পারছে না। ডিলারদের একাংশই কিনে নিচ্ছেন বলে শুনতে পাচ্ছি। 
জানা গিয়েছে, অধিকাংশ উপভোক্তা  রেশনের  চাল,  আটা তুলে তা  খোলা  বাজারে  বিক্রি  করে দেন। এই সুযোগটা এখন রেশন ডিলাররাও নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। রেশন সামগ্রীর বদলে টাকা কেন নেন? এক উপভোক্তার বক্তব্য, জেলার বেশিরভাগ মানুষ কৃষক। আবাদের পর সরু চালই সবাই খান। রেশনের মোটা চাল অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না। তাই সেই চাল বিক্রি করে দেন।  
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ