সংবাদদাতা, পতিরাম: ভূত কি তাহলে অস্থায়ী সাফাইকর্মীদের মধ্যেই লুকিয়ে! হিসেব অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।
Advertisement
বালুরঘাট পুরসভা অস্থায়ী সাফাইকর্মীদের হাজিরার জন্য গত নভেম্বরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করেছে। দেখা যাচ্ছে, সেই মাসে হাজিরা দেননি প্রায় ৮০ জন কর্মী। ফলে চলতি মাসে তাঁদের বেতন বাবদ প্রায় ১০ লক্ষ টাকা কম খরচ হয়েছে পুরসভার। ঠিক এই জায়গাতেই সন্দেহ বাড়ছে বিরোধীদের। তাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, বায়োমেট্রিক চালু হওয়ার পর এত সংখ্যক কর্মী আঙুলের ছাপ দেননি কেন? তবে কি খাতায় বেশি কর্মী দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হতো? যদিও পুরসভার দাবি, অনেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দিতে পারেননি। তাঁরা এখন যোগাযোগ করছেন
বিগত পুরবোর্ডের আমলে ভুয়ো কর্মী ঢুকেছে বলে একাধিকবার সরব হয়েছে বিরোধীরা। তাই এই অনুপস্থিত কর্মীদের সরাসরি ভুয়ো বলেই দাবি করেছে তারা।
পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্রের কথায়, আমরা স্বচ্ছতা আনতে সাফাইকর্মীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা চালু করেছি। গত নভেম্বর মাস থেকে এই পদ্ধতি চালু হয়েছে। তবে প্রায় ৮০ জন কর্মী আঙুলের ছাপ দেননি। ফলে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা বেঁচে গিয়েছে আমাদের। এখন অনেকেই এসে বলছেন তাঁরা বায়োমেট্রিকে ছাপ দিতে পারেননি। আমরা বিষয়টি স্ক্রুটিনি করে দেখছি।
এপ্রসঙ্গে বিগত বোর্ডের আরএসপির কাউন্সিলার প্রলয় ঘোষ বলেন, গরহাজির কর্মীদের বেশিরভাগই ভুয়ো। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এনিয়ে আন্দোলন করছিলাম। কর্মী নিয়োগে ব্যাপক হারে স্বজনপোষণও হয়েছে। এতদিন পুরসভার অযথা ব্যয় বাড়িয়ে ওই ভুয়ো কর্মীদের বেতন দেওয়া হচ্ছিল। কীভাবে ওই ভুয়ো কর্মীদের অ্যাকাউন্টে টাকা গেল, আমরা তার জবাব চাই।
বালুরঘাট পুরসভা সূত্রে খবর, মোট ৮০১ জন সাফাইকর্মী রয়েছেন। তাঁদের মাসে ২৬ দিন কাজ করানো হয়। ২৪০ টাকা করে দৈনিক মজুরি হিসেবে একমাসে পুরসভার নিজস্ব ফান্ড থেকে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছিল। এদিকে ২০১৩-২০১৮ পর্যন্ত তৃণমূলের বোর্ডের আমলে প্রায় ৬০০ সাফাই কর্মী নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে একাধিকবার বামেরা সরব হয়েছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, অনেক ভুয়ো কর্মী বেতন তুলে নেন। অনেকে কাজ না করে ঘরে বসে থাকেন। পরে সই করে দিনের পর দিন টাকা তুলেছেন। এসব অভিযোগের পরই তৃণমূলের নতুন বোর্ড ২০২২ সালে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করার চিন্তাভাবনা শুরু করে। গত নভেম্বরে বায়োমেট্রিক চালু হতেই খোঁজ মিলছে না ৮০ জন কর্মীর।
বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্তের দাবি, তৃণমূলের বোর্ডে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম চলেছে। এই ভুয়ো কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এতদিন কীভাবে টাকা গেল তার তদন্ত করতেই হবে।
বিগত পুরবোর্ডের আমলে ভুয়ো কর্মী ঢুকেছে বলে একাধিকবার সরব হয়েছে বিরোধীরা। তাই এই অনুপস্থিত কর্মীদের সরাসরি ভুয়ো বলেই দাবি করেছে তারা।
পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্রের কথায়, আমরা স্বচ্ছতা আনতে সাফাইকর্মীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা চালু করেছি। গত নভেম্বর মাস থেকে এই পদ্ধতি চালু হয়েছে। তবে প্রায় ৮০ জন কর্মী আঙুলের ছাপ দেননি। ফলে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা বেঁচে গিয়েছে আমাদের। এখন অনেকেই এসে বলছেন তাঁরা বায়োমেট্রিকে ছাপ দিতে পারেননি। আমরা বিষয়টি স্ক্রুটিনি করে দেখছি।
এপ্রসঙ্গে বিগত বোর্ডের আরএসপির কাউন্সিলার প্রলয় ঘোষ বলেন, গরহাজির কর্মীদের বেশিরভাগই ভুয়ো। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এনিয়ে আন্দোলন করছিলাম। কর্মী নিয়োগে ব্যাপক হারে স্বজনপোষণও হয়েছে। এতদিন পুরসভার অযথা ব্যয় বাড়িয়ে ওই ভুয়ো কর্মীদের বেতন দেওয়া হচ্ছিল। কীভাবে ওই ভুয়ো কর্মীদের অ্যাকাউন্টে টাকা গেল, আমরা তার জবাব চাই।
বালুরঘাট পুরসভা সূত্রে খবর, মোট ৮০১ জন সাফাইকর্মী রয়েছেন। তাঁদের মাসে ২৬ দিন কাজ করানো হয়। ২৪০ টাকা করে দৈনিক মজুরি হিসেবে একমাসে পুরসভার নিজস্ব ফান্ড থেকে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছিল। এদিকে ২০১৩-২০১৮ পর্যন্ত তৃণমূলের বোর্ডের আমলে প্রায় ৬০০ সাফাই কর্মী নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে একাধিকবার বামেরা সরব হয়েছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, অনেক ভুয়ো কর্মী বেতন তুলে নেন। অনেকে কাজ না করে ঘরে বসে থাকেন। পরে সই করে দিনের পর দিন টাকা তুলেছেন। এসব অভিযোগের পরই তৃণমূলের নতুন বোর্ড ২০২২ সালে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করার চিন্তাভাবনা শুরু করে। গত নভেম্বরে বায়োমেট্রিক চালু হতেই খোঁজ মিলছে না ৮০ জন কর্মীর।
বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্তের দাবি, তৃণমূলের বোর্ডে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম চলেছে। এই ভুয়ো কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এতদিন কীভাবে টাকা গেল তার তদন্ত করতেই হবে।



