Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অস্থায়ী কেকের দোকান বহরমপুর শহরজুড়ে

অস্থায়ী কেকের দোকান বহরমপুর শহরজুড়ে
  • ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বহরমপুর: বহরমপুর শহরে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অস্থায়ী কেকের দোকান। হরেক রকমের কেকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বহু মানুষ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে দেদার কেক বিকোচ্ছে। বড়দিনের বাজারে লক্ষ্মীলাভের আশায় বহু পরিবারের মহিলারাও ফুটপাতে কেকের দোকান সাজিয়ে বসেছেন। মরশুমী ব্যবসায়ীদের দাবি, রাখি উৎসবের সময় রাখি, হোলির সময় রং ও আবির, বড়দিনে কেকের ব্যবসায় বাড়তি দু’ পয়সা ঘরে আসে। এরপর নতুন বছরের ডায়েরি আর ক্যালেন্ডার নিয়ে বসবেন। আগামী এক সপ্তাহ ধরে চলবে কেকের ব্যবসা।
Advertisement
এদের অনেকেই স্থায়ী ব্যবসায়ী নন। সকলেই অন্য কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু বিভিন্ন সময় বাড়ির সামনে বা শহরের বড় রাস্তার ধারে টেবিল চেয়ার সাজিয়ে বসে পড়েন। রাখি পূর্ণিমার দিন কয়েক আগে থেকে রাখি নিয়ে বসেন। অনেকে নিজের হাতে তৈরি রাখি বিক্রি করেন। দোলের আগে রং, আবির, পিচকারি কিংবা দীপাবলির সময়ে মোমবাতি, এলইডি লাইট, আতশবাজি সাজিয়ে বসেন। একইভাবে বড়দিন থেকে ইংরেজি নববর্ষ পর্যন্ত রমরমিয়ে কেকের ব্যবসা চলে। । বড়দিন উপলক্ষ্যে প্রত্যেক পরিবারে অন্তত পক্ষে একটি কেক ঢোকে। পাশাপাশি আত্মীয় পরিজনদের বাড়িতে কেক উপহার দেওয়া এখন রেওয়াজ। ফলে এইসব দোকানে ভিড়ও হয়। স্বর্ণময়ী বাজারে টেবিল পেতে কেকের দোকান খুলেছেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়। মানসবাবু বলেন, সংসারের খরচা বেড়েছে। সব মানুষ বাড়তি আয়ের রাস্তা খুঁজছেন। বড়দিনে কেক বিক্রি করে ভালোই আয় হয়। গান্ধী কলোনি এলাকার মমতা হাজরা বলেন, রান্না সামলে বিভিন্ন সময়ে এভাবে ব্যবসা করে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিস করেছি। আষাঢ় মাসে কাঁচের চুড়ি বিক্রির আয় থেকে মিক্সি কিনেছি। কেক বিক্রির আয়ে কিছু একটা কেনার ইচ্ছা রয়েছে। ফুটপাতের কেকের দোকানগুলিতে ৮০ থেকে চারশো পাঁচশো টাকা দামের কেকও পাওয়া যাচ্ছে। নিমতলা এলাকার রথীন দে বলেন, মূলত পরিচিত ও বন্ধু মহল আমাদের মতো অস্থায়ী দোকানে বেশি কেক কেনে।
সম্পর্কিত সংবাদ