সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: আউটডোরে চিকিত্সকের দেওয়া স্লিপ নিয়ে ফার্মেসিতে গিয়েও মিলল না সমস্ত ওষুধ। এর কারণ জানতে চাওয়ায় ফার্মেসিতে বসা এক কর্মী ওই রোগীকে মরে যেতে বললেন। সোমবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ফার্মেসির সামনে এই অভিযোগ তুলে বিচারের দাবিতে অনশনের হুমকি দিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধর্না দিলেন এক রোগী। এই ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় হাসপাতালে।
Advertisement
শিলিগুড়ির বাবুপাড়ার বাসিন্দা অভিষেক সেনগুপ্ত জন্ডিসে আক্রান্ত। তিনি এদিন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখান। তিনি বলেন, আমার জন্ডিস হয়েছে। আমাকে দেখার পর ডাক্তার একটি ওষুধের স্লিপ দেন। হাসপাতালে যে ওষুধ পাওয়া যায় সেগুলিই সাধারণত এই স্লিপে লেখা হয়। কিন্তু, ২৬নম্বর কাউন্টার অর্থাৎ ফার্মেসিতে গেলে কর্তব্যরত এক মহিলা কর্মী আমাকে একটি মাত্র ওষুধ দিয়ে বলেন বাকি তিনটি ওষুধ নেই। স্লিপ অনুযায়ী সব ওষুধ থাকার কথা। গরীব মানুষ কীভাবে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে খাবে। একথা বলতেই ফার্মেসি বিভাগ থেকে এক কর্মী বেরিয়ে এসে আমাকে বলেন, ওষুধ নেই আমরা কি করব। আপনি মরে যান। একজন হাসপাতাল কর্মীর রোগীর সঙ্গে এই ব্যবহার আমি মেনে নিতে পারিনি। তাই প্রতিবাদে বিচারের দাবিতে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকি।
অভিষেকের দাবিমতো ওই কর্মী তাঁর কাছে এধরনের মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চাননি। উল্টে গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। তিনি বলেন, কিছুক্ষণ বাদে পুলিস নিয়ে এসে এক আধিকারিক নিজেকে ডেপুটি সুপার পরিচয় দিয়ে আমাকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ধর্না থেকে উঠে যেতে বলেন। কিন্তু, ওই কর্মীকে সামনে এনে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে অনড় থাকায় শেষে আমাকে ভিতরে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স দিয়ে বলা হয়, এখানে আপনাকে দেওয়ার ওষুধ নেই। তারপরই আমাকে বলা হয়, হাসপাতাল থেকে আমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিডোগ করা হলে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করা হবে। একথা শোনার পর সুবিচারের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি ভরসা হারিয়ে ফেলি। তাই সুপারের কাছে অভিযোগ জানাতে যাইনি। বাড়ি চলে যাই।
তবে তাঁর প্রতিবাদ এখানে থেমে যাবে না বলে অভিষেকবাবু বলেন, গোটা বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে জানাব। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চূড়ান্ত অব্যবস্থা চলছে। এদিন আমার নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করলাম। এখানে গরিব মানুষ প্রতিদিন অপমান আর হয়রানির মধ্যে চিকিৎসা করাচ্ছেন। এর অবসান হওয়া দরকার।
এদিকে হাসপাতাল ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, এই ধরনের অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। তাই কোথায় কে কী বলছে, তা নিয়ে আমি মন্তব্য করব না। প্রমাণ নিয়ে আমাকে অভিযোগ জানালে, খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।
অভিষেকের দাবিমতো ওই কর্মী তাঁর কাছে এধরনের মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চাননি। উল্টে গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। তিনি বলেন, কিছুক্ষণ বাদে পুলিস নিয়ে এসে এক আধিকারিক নিজেকে ডেপুটি সুপার পরিচয় দিয়ে আমাকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ধর্না থেকে উঠে যেতে বলেন। কিন্তু, ওই কর্মীকে সামনে এনে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে অনড় থাকায় শেষে আমাকে ভিতরে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স দিয়ে বলা হয়, এখানে আপনাকে দেওয়ার ওষুধ নেই। তারপরই আমাকে বলা হয়, হাসপাতাল থেকে আমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিডোগ করা হলে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করা হবে। একথা শোনার পর সুবিচারের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি ভরসা হারিয়ে ফেলি। তাই সুপারের কাছে অভিযোগ জানাতে যাইনি। বাড়ি চলে যাই।
তবে তাঁর প্রতিবাদ এখানে থেমে যাবে না বলে অভিষেকবাবু বলেন, গোটা বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে জানাব। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চূড়ান্ত অব্যবস্থা চলছে। এদিন আমার নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করলাম। এখানে গরিব মানুষ প্রতিদিন অপমান আর হয়রানির মধ্যে চিকিৎসা করাচ্ছেন। এর অবসান হওয়া দরকার।
এদিকে হাসপাতাল ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, এই ধরনের অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। তাই কোথায় কে কী বলছে, তা নিয়ে আমি মন্তব্য করব না। প্রমাণ নিয়ে আমাকে অভিযোগ জানালে, খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।



