বিশেষ সংবাদদাতা, গুয়াহাটি: বেশ কয়েক বছর ধরেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নিশানায় ছিলেন মেঘালয়ের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চান্সেলর। শেষপর্যন্ত শনিবার ভোরে ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি মেঘালয় (ইউএসটিএম)-র ওই চ্যান্সেলর মাহবুবুল হককে গ্রেপ্তার করল অসম পুলিস। সিবিএসই পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগে এদিন গুয়াহাটিতে তাঁর বাড়ি থেকে হককে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় বিশ্বশর্মা বিশেষ এক চক্রের দিকে আঙুল তুলেছেন। অন্যদিকে ধৃত চ্যান্সেলরের দাবি, পরীক্ষাদের টুকলি করতে না দেওয়ায় পুলিস তাঁকে তলব করেছিল। তিনি কোনও এফআইআরের কপিও পাননি।
Advertisement
বিশ্বশর্মা সরকারের শিক্ষামন্ত্রী রনোজ পেগু শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করেছিলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বেনিয়মের চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। পাথারকান্দিতে সেন্ট্রাল পাবলিক স্কুলে সিবিএসই দ্বাদশের পরীক্ষায় পড়ুয়াদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এই স্কুল ইউএসটিএম গ্রুপের মালিকানাধীন। কিন্তু পরীক্ষা পরিদর্শকরা বেনিয়মে বাধা দিলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। শিক্ষকদের আটকে রাখা হয়। এরপরই পুলিস হস্তক্ষেপ করে। এর পরের দিনই ইউএসটিএমের চান্সেলর হককে গ্রেপ্তার করা হল। বিশ্বশর্মা এদিন বলেছেন, এরকম একটা চক্র দীর্ঘদিন ধরে নজর রাখছিল কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষার আগে বিশেষ কিছু স্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্র বদলে দেওয়া হয়। বাড়তি নম্বরের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে পড়ুয়াদের ওই কেন্দ্রে আনা হয়। কিন্তু পরীক্ষার্থীরা সেখানে সুবিধা না পেয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। এতেই এই চক্র সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অসমের বুদ্ধিজীবীদের একাংশকে নিয়ন্ত্রণে এনে জনগনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন হক।
এর আগে গত বছর গুয়াহাটিতে বন্যার জন্য হকের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘ফ্লাড জেহাদে’র অভিযোগ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ভুয়ো ডিগ্রি দেওয়ারও অভিযোগ করেছিলেন। যদিও মেঘালয় সরকার সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছিল।
এর আগে গত বছর গুয়াহাটিতে বন্যার জন্য হকের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘ফ্লাড জেহাদে’র অভিযোগ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ভুয়ো ডিগ্রি দেওয়ারও অভিযোগ করেছিলেন। যদিও মেঘালয় সরকার সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছিল।



