সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে নিতুড়িয়া ব্লকের বিদ্যুৎ দপ্তর জোর অভিযান শুরু করেছে। পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অবৈধ সংযোগ নিয়েই বিদ্যুৎ দপ্তরের তৎপরতা থেমে থাকছে না। ব্লক প্রশাসনের সহযোগিতায় এবার যাতে মন্দির, মসজিদ, ক্লাবগুলোর অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যায়, তার জন্য বিদ্যুৎ দপ্তর সক্রিয় হয়েছে। নিতুড়িয়া ব্লকের মন্দির, মসজিদ থেকে শুরু করে ক্লাবে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য ব্লক প্রশাসনকে (বিডিওকে) চিঠি করা হয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তর চিঠিতে সাফ জানিয়েছে, বর্তমানে ব্লকের সাতটি পঞ্চায়েতে ২৮৮টি মন্দির, ১২টি মসজিদ এবং ৩৫টি ক্লাব এবং ছয়টি বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। যার ফলে বিদ্যুৎ দপ্তরকে প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে দপ্তরের তরফ থেকে একটি কালী মন্দির ও শনি মন্দিরের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করা হয়েছে। ওই মন্দিরের মহারাজের বিরুদ্ধে ১ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই ঘটনার পরেই অন্যান্য জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করতে বিদ্যুৎ দপ্তর প্রশাসনের মদত চেয়েছে।
Advertisement
নিতুড়িয়া ব্লকের বিডিও প্রবীরকুমার সিনহা বলেন, নিয়মমতো বিদ্যুৎ দপ্তর তাদের নিজেদের মতো কাজ করছে। চিঠির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিতুড়িয়া ব্লকের বিভিন্ন মন্দির, মসজিদ ও ক্লাবগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও একটি মাত্র বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে একাধিক জায়গায় তা ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার কোথাও মিটারহীন বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পরিষেবা চালানো হচ্ছে। যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হচ্ছে। অথচ বিদ্যুৎ পর্ষদ কোনও অর্থ পাচ্ছে না। সেই সমস্ত জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে ঝামেলা হতে পারে জানতে পেরে বিদ্যুৎ দপ্তর ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে।
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বেশি অবৈধ সংযোগ ভামুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে। পঞ্চায়েতের ১৪টি গ্রামের ৬৮টি মন্দির ও ছয়টি ক্লাবে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। এছাড়া রায়বাঁধ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩টি গ্রামে ৪৫টি মন্দির ও পাঁচটি মসজিদে, গুনিয়াড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩টি গ্রামের ৩২টি মন্দির, চারটি ক্লাব এবং চারটি অন্যান্য জায়গায়, জনার্দন্ডি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫টি গ্রামের ৩২টি মন্দির, দু’টি ক্লাব, দীঘা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০টি গ্রামের ৪১টি মন্দির, দু’টি মসজিদ, দু’টি অন্যান্য জায়গায়, সড়বড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫টি গ্রামের ৪২টি মন্দির, চারটি মসজিদ, ১৪টি ক্লাবে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ করা হয়েছে। সবচেয়ে কম রয়েছে শালতোড় গ্রাম পঞ্চায়েতে। ওই পঞ্চায়েতে ইসিএলের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় সেখানে ২৮টি মন্দির, একটি মসজিদ এবং একটি ক্লাবে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে।
শালতোড় বিদ্যুৎ দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ করা হয়েছে। সেখান থেকে তারের মাধ্যমে সংযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা মন্দিরের মহারাজ শিবতত্ত্বানন্দ মহারাজ বলেন, দীর্ঘদিন ইসিএল কর্তৃপক্ষের আওতায় বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল। তারাই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছিল। সম্প্রতি রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর লাইনের দায়িত্ব নিয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা এসে মন্দিরে বিদ্যুৎ সংযোগ করে দিয়ে গিয়েছিল। এখন তারাই আবার বলছে, এটা অবৈধ। আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে মন্দির অন্ধকারে রয়েছে। সামনেই মকর সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে মন্দিরে তিনদিনের অনুষ্ঠান রয়েছে। তাই যাতে অনুষ্ঠানের আগে মন্দিরের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়, তার জন্য ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বেশি অবৈধ সংযোগ ভামুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে। পঞ্চায়েতের ১৪টি গ্রামের ৬৮টি মন্দির ও ছয়টি ক্লাবে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। এছাড়া রায়বাঁধ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩টি গ্রামে ৪৫টি মন্দির ও পাঁচটি মসজিদে, গুনিয়াড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩টি গ্রামের ৩২টি মন্দির, চারটি ক্লাব এবং চারটি অন্যান্য জায়গায়, জনার্দন্ডি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫টি গ্রামের ৩২টি মন্দির, দু’টি ক্লাব, দীঘা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০টি গ্রামের ৪১টি মন্দির, দু’টি মসজিদ, দু’টি অন্যান্য জায়গায়, সড়বড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫টি গ্রামের ৪২টি মন্দির, চারটি মসজিদ, ১৪টি ক্লাবে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ করা হয়েছে। সবচেয়ে কম রয়েছে শালতোড় গ্রাম পঞ্চায়েতে। ওই পঞ্চায়েতে ইসিএলের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় সেখানে ২৮টি মন্দির, একটি মসজিদ এবং একটি ক্লাবে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে।
শালতোড় বিদ্যুৎ দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ করা হয়েছে। সেখান থেকে তারের মাধ্যমে সংযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা মন্দিরের মহারাজ শিবতত্ত্বানন্দ মহারাজ বলেন, দীর্ঘদিন ইসিএল কর্তৃপক্ষের আওতায় বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল। তারাই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছিল। সম্প্রতি রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর লাইনের দায়িত্ব নিয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা এসে মন্দিরে বিদ্যুৎ সংযোগ করে দিয়ে গিয়েছিল। এখন তারাই আবার বলছে, এটা অবৈধ। আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে মন্দির অন্ধকারে রয়েছে। সামনেই মকর সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে মন্দিরে তিনদিনের অনুষ্ঠান রয়েছে। তাই যাতে অনুষ্ঠানের আগে মন্দিরের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়, তার জন্য ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।



