নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ওড়িশার এক চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে পূর্ব মেদিনীপুরে চার জায়গায় চুটিয়ে চলছিল চেম্বার। এরকম এক ভুয়ো চিকিৎসককে চেম্বার থেকেই হাতেনাতে গ্রেপ্তার করল নন্দকুমার থানার পুলিস। ধৃতের নাম চন্দন দাস। বাড়ি নন্দীগ্রাম থানার ভেকুটিয়ায়। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ নন্দকুমার থানার নরঘাটে চেম্বার থেকেই তাঁকে পাকড়াও করা হয়। রবিবার ধৃতকে সিজেএম কোর্টে তোলা হয়। বিচারক তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে পাঁচ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস ধৃত ভুয়ো ডাক্তারকে জেরা করে আরও তথ্য পেতে চাইছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ধৃত ভুয়ো ডাক্তার খেজুরির তল্লা ও হেঁড়িয়া, নন্দীগ্রাম এবং নন্দকুমারের নরঘাট এলাকায় চেম্বার করতেন। খেজুরির প্রিয়ানগর গ্রামের অনুপকুমার সেন তাঁর অসুস্থ বাবা বিহারীলাল সেনকে ওই ভুয়ো ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাতেন। তল্লায় তাঁর চেম্বারে নিয়ে যেতেন। ওই ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধপত্র খাওয়ানোর পর ওই বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। ২০২৪সালে ২৪জুন তিনি মারা যান। এরপরই ওই চিকিৎসকের ডিগ্রি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেন অনুপবাবু। অনলাইন সার্চ করে জানতে পারেন, ওড়িশায় একই নামে এক ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ওই ভুয়ো চিকিৎসক চুটিয়ে প্র্যাক্টিস করছেন। অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে সিল, প্যাড বানানো হয়েছিল। সেই প্যাডে প্রেসক্রিপশন লেখা হতো। বিষয়টি জানতে পারার পরই অনুপবাবু তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
২২ফেব্রুয়ারি অনুপবাবু ওই ভুয়ো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নন্দকুমার থানায় এফআইআর করেন। সেই মুহূর্তে ওই ভুয়ো চিকিৎসক নরঘাটে চেম্বারে ছিলেন। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই পুলিস আচমকা সেই চেম্বারে হানা দেয়। সেখান থেকেই ভুয়ো ডাক্তারকে পাকড়াও করা হয়। পুলিসের হাতেপায়ে ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন ওই ভুয়ো ডাক্তার। নিজের অপরাধ স্বীকার করে ভবিষ্যতে এধরনের কাজ করবেন না বলে অনুনয় বিনয় করেন। যদিও ধৃতের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। জানা গিয়েছে, ওই ভুয়ো চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে চেম্বার করছেন। এভাবে তাঁর রোজগারও বেশ হতো। ভেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের পাশেই তাঁর তিনতলা ঝাঁ চকচকে বাড়ি। ছেলে বাংলাদেশে ডাক্তারিতে পড়াশোনা করছেন। ওড়িশার চিকিৎসক চন্দন দাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে দিব্যি ব্যবসা চালাতেন ধৃত। কিন্তু, খেজুরির অনুপকুমার সেনের অভিযোগের ভিত্তিতে শেষমেশ শ্রীঘরে যেতে হল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশার চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর নকল করে নন্দীগ্রামের ওই হাতুড়ে চিকিৎসকের প্র্যাক্টিস করার বিষয়টি অনেকেই জানতেন। বছর দশেক আগে নন্দীগ্রামের বিডিও এনিয়ে তাঁকে সতর্ক করেছিলেন। এমনকী, নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার সিএমওএইচ চন্দনকে এনিয়ে সাবধান করেছিলেন। কিন্তু, তাঁদের সতর্কবাণী সত্ত্বেও ওই ভুয়ো ডাক্তার বেপরোয়া ছিলেন। অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে দিব্যি ব্যবসা চালাতেন।
নন্দকুমার থানার ওসি উজ্জ্বল নস্কর বলেন, চন্দনের বিরুদ্ধে অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে প্র্যাক্টিস করার অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করা হয়। পাঁচ দিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর হয়েছে। ধৃতকে আরও জেরা করার প্রয়োজন রয়েছে।
২২ফেব্রুয়ারি অনুপবাবু ওই ভুয়ো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নন্দকুমার থানায় এফআইআর করেন। সেই মুহূর্তে ওই ভুয়ো চিকিৎসক নরঘাটে চেম্বারে ছিলেন। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই পুলিস আচমকা সেই চেম্বারে হানা দেয়। সেখান থেকেই ভুয়ো ডাক্তারকে পাকড়াও করা হয়। পুলিসের হাতেপায়ে ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন ওই ভুয়ো ডাক্তার। নিজের অপরাধ স্বীকার করে ভবিষ্যতে এধরনের কাজ করবেন না বলে অনুনয় বিনয় করেন। যদিও ধৃতের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। জানা গিয়েছে, ওই ভুয়ো চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে চেম্বার করছেন। এভাবে তাঁর রোজগারও বেশ হতো। ভেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের পাশেই তাঁর তিনতলা ঝাঁ চকচকে বাড়ি। ছেলে বাংলাদেশে ডাক্তারিতে পড়াশোনা করছেন। ওড়িশার চিকিৎসক চন্দন দাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে দিব্যি ব্যবসা চালাতেন ধৃত। কিন্তু, খেজুরির অনুপকুমার সেনের অভিযোগের ভিত্তিতে শেষমেশ শ্রীঘরে যেতে হল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশার চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর নকল করে নন্দীগ্রামের ওই হাতুড়ে চিকিৎসকের প্র্যাক্টিস করার বিষয়টি অনেকেই জানতেন। বছর দশেক আগে নন্দীগ্রামের বিডিও এনিয়ে তাঁকে সতর্ক করেছিলেন। এমনকী, নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার সিএমওএইচ চন্দনকে এনিয়ে সাবধান করেছিলেন। কিন্তু, তাঁদের সতর্কবাণী সত্ত্বেও ওই ভুয়ো ডাক্তার বেপরোয়া ছিলেন। অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে দিব্যি ব্যবসা চালাতেন।
নন্দকুমার থানার ওসি উজ্জ্বল নস্কর বলেন, চন্দনের বিরুদ্ধে অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে প্র্যাক্টিস করার অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করা হয়। পাঁচ দিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর হয়েছে। ধৃতকে আরও জেরা করার প্রয়োজন রয়েছে।



