Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অশান্তির জেরে সালারে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাবা ও ছেলের

অশান্তির জেরে সালারে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাবা ও ছেলের
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কান্দি: পারিবারিক অশান্তির জেরে সালারে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাবা ও ছেলের। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে সালার থানার কোড়গ্রামে। কীটনাশক খাওয়ার কথা জানতে পেরে স্থানীয়রা তাঁদের প্রথমে সালার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে সেখান থেকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই তাঁরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে ওই গ্রামের চাষি বাসুদেব রাণোর সঙ্গে তাঁর বছর ১৯-এর ছেলে সঞ্জীব রাণোর ঝগড়া শুরু হয়। ছেলে কাজকর্মে মন না দিয়ে ঘুরে ঘুরে বেড়ানোর ফলেই ঝগড়ার সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে।
এক প্রতিবেশী বলেন, ওঁদের বাড়িতে দিনরাত ঝামেলা লেগেই থাকে। ছেলেটাও কোনও কাজকর্ম করে না। শুধু ঘুরে বেড়ায় ও মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সোমবার সরস্বতী পুজোয় রাত করে বাড়ি ফেরে। এনিয়ে এদিন দুপুরে বাপ-বেটায় ঝামেলা বেধে যায়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে বাবা ছেলেকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, তাঁর বয়স হয়েছে। এখন ঘোরাফেরা কম করতে হবে। সংসারের প্রতি মন দিতে হবে। যা নিয়ে বাসুদেববাবু বিফল হয়ে অভিমান করে বসেন। এরপর বাড়িতে মজুত থাকা কীটনাশক খেয়ে ফেলেন। এই দৃশ্য দেখে ছেলেও অপর একটি কীটনাশকের বোতল তুলে মুখে ঢেলে নেয়। উভয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিবেশীরা প্রথমে বাসুদেববাবুকে বাইকে করে সালার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর বাইকে করে সঞ্জীবকেও ওই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। দু’জনকেই হাসপাতালের গেটের সামনে বসিয়ে রাখা হয়। সেখানে বাসুদেববাবু বলেন, ছেলেকে বুঝিয়ে পারলাম না। তাই বিষ খেয়েছি। তবে সঞ্জীব কীটনাশক খাওয়ার কথা স্বীকার করতে রাজি হচ্ছিল না। যদিও উভয়েই বমি করতে করতে লুটিয়ে পড়েন। তখন চিকিৎসকরা জানান, উভয়েই কীটনাশক খেয়েছেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর উভয়কে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে রেফার করেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ