সংবাদদাতা, তেহট্ট: বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে তেহট্টের ভারতের সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিতেও। এতদিন নির্বিঘ্নে থাকলেও এখন কিছুটা আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্তবাসী। ২০২৪এর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া সীমান্তের উত্তেজনা নতুন বছরে প্রশমিত হবে বলে আশা বাসিন্দাদের।
Advertisement
ওপারে বাংলাদেশ, এপারে ভারত। দু’দেশের মধ্যে সীমানা রেখা টেনেছে কাঁটাতারের বেড়া। এতো দিন ঠিকঠাকই কাটছিল দিনকাল। জিরো পয়েন্টে চলছিল চাষাবাদ। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে সীমান্তের বাসিন্দাদের।
এছাড়াও সীমান্ত লাগোয়া মুর্শিদাবাদ থেকে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য গ্রেপ্তার হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলিতে। জাল আধার কার্ড ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তবে নতুন বছরে শান্তি ফিরবে পড়শি দেশে, এমনটাই আশা সকলের। এলাকার চাষিদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে বিজিবি ও বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হুমকির শিকার তাঁরা। এতে চাষাবাদ নিয়ে তাঁরা পড়েছেন বিপাকে। চাষিরা জানান, বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা বর্তমানে যেভাবে অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে তাতে তাঁরা সবাই আতঙ্কিত। কখন আক্রমণ করে বসে এই ভয় রয়েছে।
নবীনগর গ্রামের বাসিন্দা বিধান মণ্ডল বলেন, এতো দিন ভয় ছাড়াই জমিতে কাজ করতাম। এখন চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জিরো পয়েন্টে কাজ করি। আতঙ্ক লাগে, বিজিবি এসে ধরে নিয়ে যাবে বা বাংলাদেশের লোকজন এসে আবার মারধর করবে।
বিএসএফের এক আধিকারিক বলেন, আমরা সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছি। কোনওভাবেই অবৈধভাবে কেউ ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির ভারতীয় কোনও বাসিন্দার ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
এছাড়াও সীমান্ত লাগোয়া মুর্শিদাবাদ থেকে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য গ্রেপ্তার হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলিতে। জাল আধার কার্ড ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তবে নতুন বছরে শান্তি ফিরবে পড়শি দেশে, এমনটাই আশা সকলের। এলাকার চাষিদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে বিজিবি ও বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হুমকির শিকার তাঁরা। এতে চাষাবাদ নিয়ে তাঁরা পড়েছেন বিপাকে। চাষিরা জানান, বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা বর্তমানে যেভাবে অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে তাতে তাঁরা সবাই আতঙ্কিত। কখন আক্রমণ করে বসে এই ভয় রয়েছে।
নবীনগর গ্রামের বাসিন্দা বিধান মণ্ডল বলেন, এতো দিন ভয় ছাড়াই জমিতে কাজ করতাম। এখন চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জিরো পয়েন্টে কাজ করি। আতঙ্ক লাগে, বিজিবি এসে ধরে নিয়ে যাবে বা বাংলাদেশের লোকজন এসে আবার মারধর করবে।
বিএসএফের এক আধিকারিক বলেন, আমরা সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছি। কোনওভাবেই অবৈধভাবে কেউ ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির ভারতীয় কোনও বাসিন্দার ভয় পাওয়ার কিছু নেই।



