নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: অশ্লীল নাচে রাজি না হওয়ায় শিল্পীদের উপর হামলা চালানোর ঘটনায় নন্দকুমারে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। বৃহস্পতিবার রাতে নন্দকুমার থানার সাওড়াবেড়্যা জালপাই গ্রামে মনসা পুজো উপলক্ষ্যে নাচের অনুষ্ঠান ছিল। স্থানীয় একটি ক্লাবের উদ্যোগে সাড়ে চার ঘণ্টার অনুষ্ঠানের পর ‘হট ডান্স’ করতে হবে বলে কমিটির কয়েকজন ফতোয়া চাপায়। তাতে রাজি না হওয়ায় গ্রিনরুমের মধ্যেই শিল্পীদের মারধর এবং মহিলা শিল্পীদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। অনুষ্ঠানের পেমেন্ট আটকে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। নন্দকুমার থানায় এনিয়ে অভিযোগ জমা পড়ে। তার ভিত্তিতে পুলিস আয়োজক কমিটির দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
Advertisement
সাওড়াবেড়্যা জালপাই গ্রামে ওই ক্লাবের উদ্যোগে মনসা পুজো উপলক্ষ্যে ৭নভেম্বর অনলাইনে মেচেদার একটি ডান্স ট্রুপ বুক করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে ওই ডান্স ট্রুপ সেখানে পৌঁছে যায়। তারপর অনুষ্ঠান শুরু করে। শিল্পীদের বক্তব্য, তিন ঘণ্টার অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। রাত সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। তিন ঘণ্টার অনুষ্ঠান শেষে ক্লাবকর্তারা আরও আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা অনুষ্ঠানের আবেদন জানায়। সেইমতো সাড়ে চার ঘণ্টা অনুষ্ঠান হয়। শিল্পীরা মঞ্চ থেকে নেমে গ্রিন রুমে পৌঁছনোর পর ক্লাবের কয়েকজন সেখানে হাজির হয়। এবার ফতোয়া, পোশাক খুলে ‘হট ডান্স’ করতে হবে। তাতে শিল্পীরা রাজি না হওয়ায় ঝামেলা বাধে। মহিলা শিল্পীদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিসের হস্তক্ষেপে শিল্পীরা ওই এলাকা ছাড়েন।
এর আগে নন্দকুমারের চিঙ্গুরদোনা এবং কাঁদলদা গ্রামেও একই বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। ডান্সট্রুপ অশ্লীল নাচে রাজি না হওয়ায় কমিটির লোকজন হামলা চালায়। নন্দকুমার ব্লকে বিভিন্ন জায়গায় ‘ডান্স হাঙ্গামা’র নামে রাত ১২টার পরই অশ্লীল নাচ চলে। পুজো পার্বন সহ নানা অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে এই অশ্লীল নাচ দেখতে অভ্যস্ত দর্শকদের একাংশ। সকল ডান্স ট্রুপ এধরনের নাচে রাজি হয় না। আর তার থেকেই ঝামেলা বেধে যায়। ওই ট্রুপে ছ’জন মহিলা শিল্পী, দুই যুবক ও একজন ঘোষক ছিলেন। হামলাকারীরা মহিলা শিল্পীদের বেশি টার্গেট করে। শ্লীলতাহানিতে বাধা পেয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
ডান্স ট্রুপের পক্ষে শেখ আনোয়ার নন্দকুমার থানায় এফআইআর করেছেন। তার ভিত্তিতে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগকারী বলেন, সামাজিক প্রোগ্রামের জন্য বুকিং করা হয়েছিল। সেইমতো ডান্স ট্রুপ নন্দকুমারে হাজির হয়। সেখানে প্রায় চার ঘণ্টার অনুষ্ঠানের পর পোশাক ছাড়াই নাচতে হবে বলে চাপ দেয়। মেচেদা ডান্স ওনার্স ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এধরনের অনুষ্ঠান করতে নিষেধ করা আছে। শিল্পীরা তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের উপর হামলা হয়। আমরা নন্দকুমার থানায় যোগাযোগ করার পর পুলিসের হস্তক্ষেপে শিল্পীরা প্রাণ বাঁচিয়ে বাড়ি ফেরেন। তবে কয়েকজন মহিলা শিল্পী গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। মারধর করা হয়েছে। কোনও কোনও ডান্স গ্রুপ অশ্লীল নাচ পরিবেশন করাতেই সাধারণ শিল্পীরা এধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। নন্দকুমার থানার ওসি উজ্জ্বলকুমার নস্কর বলেন, ওই ঘটনায় আমরা দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছি। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।
এর আগে নন্দকুমারের চিঙ্গুরদোনা এবং কাঁদলদা গ্রামেও একই বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। ডান্সট্রুপ অশ্লীল নাচে রাজি না হওয়ায় কমিটির লোকজন হামলা চালায়। নন্দকুমার ব্লকে বিভিন্ন জায়গায় ‘ডান্স হাঙ্গামা’র নামে রাত ১২টার পরই অশ্লীল নাচ চলে। পুজো পার্বন সহ নানা অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে এই অশ্লীল নাচ দেখতে অভ্যস্ত দর্শকদের একাংশ। সকল ডান্স ট্রুপ এধরনের নাচে রাজি হয় না। আর তার থেকেই ঝামেলা বেধে যায়। ওই ট্রুপে ছ’জন মহিলা শিল্পী, দুই যুবক ও একজন ঘোষক ছিলেন। হামলাকারীরা মহিলা শিল্পীদের বেশি টার্গেট করে। শ্লীলতাহানিতে বাধা পেয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
ডান্স ট্রুপের পক্ষে শেখ আনোয়ার নন্দকুমার থানায় এফআইআর করেছেন। তার ভিত্তিতে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগকারী বলেন, সামাজিক প্রোগ্রামের জন্য বুকিং করা হয়েছিল। সেইমতো ডান্স ট্রুপ নন্দকুমারে হাজির হয়। সেখানে প্রায় চার ঘণ্টার অনুষ্ঠানের পর পোশাক ছাড়াই নাচতে হবে বলে চাপ দেয়। মেচেদা ডান্স ওনার্স ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এধরনের অনুষ্ঠান করতে নিষেধ করা আছে। শিল্পীরা তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের উপর হামলা হয়। আমরা নন্দকুমার থানায় যোগাযোগ করার পর পুলিসের হস্তক্ষেপে শিল্পীরা প্রাণ বাঁচিয়ে বাড়ি ফেরেন। তবে কয়েকজন মহিলা শিল্পী গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। মারধর করা হয়েছে। কোনও কোনও ডান্স গ্রুপ অশ্লীল নাচ পরিবেশন করাতেই সাধারণ শিল্পীরা এধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। নন্দকুমার থানার ওসি উজ্জ্বলকুমার নস্কর বলেন, ওই ঘটনায় আমরা দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছি। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।



