অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: রাজারহাটের সেন্টার অব এক্সেলেন্সে ইস্ট বেঙ্গল টিম বাস থেকে সবার আগে নামলেন মিগুয়েল। অল্প সময়েই কলকাতা জমিয়ে দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডিও। সমর্থকদের দিকে হাত নাড়তেই বদলে গেল আবহ। ঝিমিয়ে থাকা ইস্ট বেঙ্গলে তখন আগুনের দীপ্তি। ফুটবলারদের শরীরের ভাষায় জয় ছাড়া অন্য কোনও ভাবনা নেই। পিতৃবিয়োগের কারণে প্যালেস্তাইন মিডিও রশিদ আমেরিকায় ফিরেছেন। তবে এই বিপর্যয় কাটাতে মরিয়া বাকিরা। আমি নয়, গোটা শিবিরের অদৃশ্য কলারটিউনে আমরা’র গান। রবিবার ডুরান্ড কাপ ডার্বির আগে বিপিন-সিবলেদের এই স্পিরিটই কোচ অস্কার ব্রুজোঁর মূলধন।
রশিদ-মিগুয়েলকে নিউক্লিয়াস করে ডার্বির ঘুটি সাজিয়েছিলেন অস্কার। বিধি বাম। রশিদ দেশে ফিরেছেন। একদিনের মধ্যে এই সমস্যা মেটানো সত্যিই কঠিন। ড্যামেজ কন্ট্রোলে ভরসা সেই সাউল ক্রেসপো। মাঝমাঠে মিগুয়েলের সঙ্গী হতে পারেন নাওরেম মহেশ। দুই উইংয়ে কোচ অস্কারের পছন্দ বিপিন সিং ও এডমুন্ড। লক্ষ্যভেদের দায়িত্ব হামিদের উপর। তবে সকলের চোখ লাল-হলুদ ডিফেন্স নিয়ে। হেভিওয়েট মোলিনা ব্রিগেডকে থামাতে ব্রুজোঁর প্রথম একাদশে জায়গা পেতে পারেন আনোয়ার ও সিবলে। দুই উইং-ব্যাকের ভূমিকায় লালচুংনুঙ্গা ও রাকিপ। তবে প্ল্যান বি’ও তৈরি রাখছেন লাল-হলুদ কোচ। সেক্ষেত্রে মাঝমাঠে জিকসন ও শৌভিক চক্রবর্তী এবং আক্রমণে দিয়ামানতাকোসকেও ঝালিয়ে রাখলেন তিনি। এদিন মূলত প্রতি-আক্রমণ নির্ভর ফুটবলের মহড়াই সারল ইস্ট বেঙ্গল। শেষ পর্বে চলল সেটপিস অনুশীলন। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেল ক্রেসপো ও মিগুয়েলকে।