Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

অর্থ তছরুপ প্রতিরোধ মামলা দায়েরে রাশ টানছে ইডি

অর্থ তছরুপ প্রতিরোধ মামলা দায়েরে রাশ টানছে ইডি
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিরোধীরা বারংবার অভিযোগ করেছে যে, কেন্দ্রীয় এজেন্সির যত অভিযান হচ্ছে, তার সিংহভাগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বেছে বেছে বিরোধী দল ও নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগ কেন্দ্র উড়িয়ে দিলেও দেখা যাচ্ছে এ পর্যন্ত দুর্নীতি ও টাকা পাচার সংক্রান্ত প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্টকে (পিএমএলএ) হাতিয়ার করে যত মামলা দায়ের করা হয়েছে, তার মধ্যে নগণ্য ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে দোষী  সব্যস্ত করা গিয়েছে। আদালতে বারবার ধাক্কা খাওয়ায় অবশেষে টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের। পিএমএলএ মামলায় রাশ টানছে ইডি।
Advertisement
২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়সীমায় ৯১১টি মামলার রুজু করা হলেও মাত্র ৪২টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। সিংহভাগ অভিযুক্ত জামিন পেয়েছে। এমনকী বহু মামলায় শুনানিই শুরু হয়নি। দোষী প্রমাণ করতে না পারায় অভিযুক্তদের যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে, সেগুলি ফেরত দেওয়া নিয়ে রীতিমতো নাজেহাল হয়ে  যাচ্ছে ইডি এবং অর্থমন্ত্রক। এমনকী বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তি সময়মতো এবং যথাযথ আইন মেনে ফেরত দিতে ইডি ব্যর্থ হয়েছে— এই অভিযোগেও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে বহু অভিযুক্ত ব্যক্তি ও সংস্থা। এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকার অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। যার সিংহভাগই মোদি সরকারের আমলে। ১ লক্ষ ১৯ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ২০১৯ সাল থেকে ৩১ ডিসেম্বর থেকে। অভিযোগ পেলেই প্রথমেই পিএমএলএ আ‌ই঩নে মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে মাসের পর মাস জেলে রাখা হচ্ছে। অথচ তারপর অপরাধ প্রমাণ করা যাচ্ছে না। অভিযুক্তরা জামিন পেয়ে যাচ্ছেন। 
সুপ্রিম কোর্ট ইডিকে একাধিকবার পিএমএলএ রুজু করার অতি উৎসাহ নিয়ে সতর্ক করেছে। এরপরই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, যে কোনও পিএমএলএ রুজু করার আগে দিল্লির সদর দপ্তরের অনুমোদন নিতে হবে। এখন দেখা যাচ্ছে, পিএমএলএ আইনে বিরোধীদের গ্রেপ্তার করা অথবা অভিযান চালানোর প্রবণতা একেবারেই কম। এমনকী অভিযান চালানো হলেও পিএমএলএ আইন রুজু করা হচ্ছে না। সম্পত্তি বা঩জেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রেও সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ