নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: পঞ্চদশ অর্থ কমিশন ও পঞ্চম রাজ্য অর্থ কমিশনের অর্থ খরচের নিরিখে মুর্শিদাবাদ জেলা পিছিয়ে রয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে গোটা টাকা খরচ করাই এখন বাড়তি চ্যালেঞ্জ প্রশাসনের। কাজের অগ্রগতি এবং আগামী পরিকল্পনা নিয়ে বহরমপুরে এসে জেলা প্রশাসন ও ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। হাজির ছিলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের সচিব পি উলগানাথন, জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, সাংসদ আবু তাহের খান প্রমুখ। এদিনের বৈঠকে বাংলার বাড়ি প্রকল্প নিয়েও বিশদে আলোচনা হয়। এই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন রাজ্যের মন্ত্রী।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চম স্টেট ফিন্যান্স কমিশনের তরফে মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। যার মধ্যে ৫৭ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। বাকি অর্থ খরচ করতে হবে আগামী তিন মাসের মধ্যে। পঞ্চম স্টেট ফিন্যান্স কমিশনের দেওয়া অর্থ খরচের নিরিখে সবথেকে পিছিয়ে আছে জেলার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত। নবগ্রাম ব্লকের পাঁচগ্রাম ও বড়ঞার কুলি গ্রাম পঞ্চায়েত এক লক্ষ টাকাও এখনও খরচ করতে পারেনি। অপরদিকে ফরাক্কার অর্জুনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট অর্থের মাত্র ১.৭৩ শতাংশ খরচ করতে পেরেছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মাত্র ৫৫ শতাংশ টাকা জেলায় খরচ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাকি অর্থ যাতে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজে খরচ করা যায়, সেই দিকে নজর দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ জায়গায় পঞ্চায়েত বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে কোন্দলের জেরে টেন্ডার প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। যার ফলে গ্রাম অঞ্চলের উন্নয়নের কাজের কোটি কোটি টাকা পড়ে আছে সরকারি কোষাগারে।
এদিনের বৈঠক থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নিজেদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে দ্রুত সেই টাকা খরচ করতে হবে। পাশাপশি, গ্রামের মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারেও নজর দিতে হবে। বাংলার বাড়ি প্রকল্প রূপায়ণে যে সমস্ত মিস্ত্রি ও দিনমজুররা কাজ করবেন, তাঁরা যেন জবকার্ড হোল্ডার হয়, তা দেখতে বলা হয়েছে। তাহলে বহু পরিযায়ী শ্রমিক গ্রামে ফিরে কাজ করতে পারবেন। প্রদীপবাবু বলেন, আমরা ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের গড়ে ৫৫দিন কাজ উপহার দিতে পেরেছি। যে কোনও সরকারি প্রকল্পে তাঁদের কাজে লাগানো হচ্ছে। এই জেলায় কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আমরা পিছিয়ে রয়েছি। রাজ্য থেকে সেই সমস্ত এলাকায় কাজের তদারকি করা হচ্ছে। সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সবই ছোটখাট সমস্যা। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রকল্পের কাজকে আরও গতিময় করে তোলার চেষ্টার জন্যই এদিন বৈঠক করা হয়। আর একটু গতি এলেই এই আর্থিক বর্ষে বাকি কাজগুলি আমরা সম্পূর্ণভাবে শেষ করতে পারব। সেগুলি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা এখন যে স্তরে আছি, তার থেকে বেশি এগতে হবে। এদিন এখানকার গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এবার রাজ্যস্তরে আলোচনা করব। সামগ্রিকভাবে কাজের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হচ্ছে। আগামীতে গ্রামাঞ্চলে আরও উন্নয়নের জন্য নতুন নীতি আনার ব্যবস্থা করছি।
এদিনের বৈঠক থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নিজেদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে দ্রুত সেই টাকা খরচ করতে হবে। পাশাপশি, গ্রামের মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারেও নজর দিতে হবে। বাংলার বাড়ি প্রকল্প রূপায়ণে যে সমস্ত মিস্ত্রি ও দিনমজুররা কাজ করবেন, তাঁরা যেন জবকার্ড হোল্ডার হয়, তা দেখতে বলা হয়েছে। তাহলে বহু পরিযায়ী শ্রমিক গ্রামে ফিরে কাজ করতে পারবেন। প্রদীপবাবু বলেন, আমরা ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের গড়ে ৫৫দিন কাজ উপহার দিতে পেরেছি। যে কোনও সরকারি প্রকল্পে তাঁদের কাজে লাগানো হচ্ছে। এই জেলায় কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আমরা পিছিয়ে রয়েছি। রাজ্য থেকে সেই সমস্ত এলাকায় কাজের তদারকি করা হচ্ছে। সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সবই ছোটখাট সমস্যা। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রকল্পের কাজকে আরও গতিময় করে তোলার চেষ্টার জন্যই এদিন বৈঠক করা হয়। আর একটু গতি এলেই এই আর্থিক বর্ষে বাকি কাজগুলি আমরা সম্পূর্ণভাবে শেষ করতে পারব। সেগুলি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা এখন যে স্তরে আছি, তার থেকে বেশি এগতে হবে। এদিন এখানকার গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এবার রাজ্যস্তরে আলোচনা করব। সামগ্রিকভাবে কাজের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হচ্ছে। আগামীতে গ্রামাঞ্চলে আরও উন্নয়নের জন্য নতুন নীতি আনার ব্যবস্থা করছি।



