নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের প্রকল্প বাস্তবায়নে হুগলি জেলার মধ্যে খানাকুলের দু’টি ব্লকই লাল তালিকাভুক্ত। এক কোটির বেশি করে টাকা পড়ে রয়েছে খানাকুল ১ ও খানাকুল ২ পঞ্চায়েত সমিতির তহবিলে। অর্থবর্ষ শেষের আগে ওই টাকা খরচ করা নিয়ে অনিশ্চয়তাও তৈরি হয়েছে। ফলে গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও প্রশাসন টাকা খরচে জোর দিতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে। ব্লক ধরে ধরে পর্যালোচনা বৈঠক করে বেঁধে দেওয়া হয়েছে কাজ শেষের সময়সীমা। জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, প্রত্যেক সপ্তাহে ব্লক, মহকুমা পিছু পর্যালোচনা বৈঠক করা হচ্ছে। কোথায় সমস্যা রয়েছে, সেগুলি জেনে তার সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে। সময়মতো ই টেন্ডার ও কাজ শুরুর নির্দেশ না দেওয়ার ফলে দু’টি ব্লক পিছিয়েছে।
Advertisement
হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধারা বলেন, খানাকুলের দু’টি ব্লক অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করতে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজের টেন্ডার ও সূচনা করতে বলেছি। আশা করছি, গতি বাড়বে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৬ ডিসেম্বরের রিপোর্ট অনুযায়ী হুগলির ১৮টি ব্লকের মধ্যে খানাকলের দু’টি ব্লক লাল তালিকাভুক্ত হয়ে রয়েছে। খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূল পরিচালিত। খানাকুল ২ পঞ্চায়েত সমিতি বিজেপির দখলে। খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতির তাহবিলে আসে প্রায় দুই কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। তারা খরচ করতে পেরেছে প্রায় এক কোটি টাকা। এখনও পর্যন্ত খরচ করতে পারেনি প্রায় এক কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। শতাংশের বিচারে খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতি অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করেছে ৩৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, খানাকুল ২ পঞ্চায়েত সমিতিতে অর্থ কমিশনের বরাদ্দ হয়েছে দুই কোটি ২৬ লক্ষ টাকা। তারা এখনও পর্যন্ত খরচ করতে পেরেছে প্রায় এক কোটি ১৪ লক্ষ টাকা। তাদের তহবিলে প্রায় এক কোটি ১২ লক্ষ টাকা পড়ে রয়েছে। শতাংশের হিসেবে তা ৫০ শতাংশ।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, হুগলি জেলার অন্যান্য পঞ্চায়েত সমিতি অর্থ কমিশনের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ টাকা খরচ করতে পেরেছে। কিন্তু খানাকুলের দু’টি ব্লকের খরচ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের দাবি, রাজনৈতিক কারণে গোলমালের জেরে টাকা খরচে পিছিয়ে রয়েছে এই দুই পঞ্চায়েত সমিতি।
যদিও খানাকুল ২ এর সভাপতি রুম্পা মণ্ডল বলেন, চলতি বছরে এখানে বন্যা ছিল। তারফলে সেইসময় কোনও কাজই সেভাবে করা যায়নি। তাছাড়া টেন্ডার করলেও অনেকে তাতে অংশ নেননি। তাই কাজের নির্দেশ দেওয়া যায়নি। তবে এখন কাজে গতি এসেছে। অন্যদিকে, খানাকুল ১ এর সভাপতি শম্পা মাইতি বলেন, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ পদ নিয়ে জটিলতা চলছে। তার জেরে কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। প্রশাসন এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিলে সুবিধা হয়। জানা গিয়েছে, অর্থ কমিশনের অধীনে শর্তাধীন ও নিঃশর্ত তহবিল থেকে রাস্তা, পথ বাতি, নিকাশি নালা, পানীয় জলের প্রকল্প নেওয়া হয়। খানাকুলের দু’টি ব্লকে বন্যার পর পুনর্গঠনে এই প্রকল্পগুলির দাবিও রয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৬ ডিসেম্বরের রিপোর্ট অনুযায়ী হুগলির ১৮টি ব্লকের মধ্যে খানাকলের দু’টি ব্লক লাল তালিকাভুক্ত হয়ে রয়েছে। খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূল পরিচালিত। খানাকুল ২ পঞ্চায়েত সমিতি বিজেপির দখলে। খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতির তাহবিলে আসে প্রায় দুই কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। তারা খরচ করতে পেরেছে প্রায় এক কোটি টাকা। এখনও পর্যন্ত খরচ করতে পারেনি প্রায় এক কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। শতাংশের বিচারে খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতি অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করেছে ৩৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, খানাকুল ২ পঞ্চায়েত সমিতিতে অর্থ কমিশনের বরাদ্দ হয়েছে দুই কোটি ২৬ লক্ষ টাকা। তারা এখনও পর্যন্ত খরচ করতে পেরেছে প্রায় এক কোটি ১৪ লক্ষ টাকা। তাদের তহবিলে প্রায় এক কোটি ১২ লক্ষ টাকা পড়ে রয়েছে। শতাংশের হিসেবে তা ৫০ শতাংশ।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, হুগলি জেলার অন্যান্য পঞ্চায়েত সমিতি অর্থ কমিশনের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ টাকা খরচ করতে পেরেছে। কিন্তু খানাকুলের দু’টি ব্লকের খরচ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের দাবি, রাজনৈতিক কারণে গোলমালের জেরে টাকা খরচে পিছিয়ে রয়েছে এই দুই পঞ্চায়েত সমিতি।
যদিও খানাকুল ২ এর সভাপতি রুম্পা মণ্ডল বলেন, চলতি বছরে এখানে বন্যা ছিল। তারফলে সেইসময় কোনও কাজই সেভাবে করা যায়নি। তাছাড়া টেন্ডার করলেও অনেকে তাতে অংশ নেননি। তাই কাজের নির্দেশ দেওয়া যায়নি। তবে এখন কাজে গতি এসেছে। অন্যদিকে, খানাকুল ১ এর সভাপতি শম্পা মাইতি বলেন, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ পদ নিয়ে জটিলতা চলছে। তার জেরে কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। প্রশাসন এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিলে সুবিধা হয়। জানা গিয়েছে, অর্থ কমিশনের অধীনে শর্তাধীন ও নিঃশর্ত তহবিল থেকে রাস্তা, পথ বাতি, নিকাশি নালা, পানীয় জলের প্রকল্প নেওয়া হয়। খানাকুলের দু’টি ব্লকে বন্যার পর পুনর্গঠনে এই প্রকল্পগুলির দাবিও রয়েছে।



