Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ওয়ার্ক অর্ডারের পরও কাজে গড়িমসি, ঠিকাদারদের হুঁশিয়ারি মেয়র গৌতমের

ওয়ার্ক অর্ডারের পরও কাজে গড়িমসি, ঠিকাদারদের হুঁশিয়ারি মেয়র গৌতমের
  • ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: কাজ ফেলে রাখায় শিলিগুড়ি পুরসভার ঠিকাদারদের হুঁশিয়ারি দিলেন মেয়র গৌতম দেব। কাজ নিয়ে ফেলে রাখা যাবে না। শীঘ্রই কাজ শুরু করতে হবে। ওয়ার্ক অর্ডার নিয়ে যাঁরা কাজ করছেন না, তাঁদেরকে কালো তালিকাভুক্ত  করা হবে বলে সাফ জানান মেয়র। শনিবার শিলিগুড়ি পুরসভার টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের এক নাগরিক মেয়রকে জানান, সত্যেন বোস রোড বাইলেন  দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে রয়েছে। এই রাস্তা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন স্থানীয়রা। নিকাশি নালার অবস্থাও খারাপ। টক টু মেয়রে অভিযোগ জানিয়েও এখনও সেই রাস্তা মেরামত হয়নি। তার পরপরই ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের এক নাগরিক ইসকন রোডের একটি বাইলেন নিয়ে একই অভিযোগ করেন।
Advertisement
মেয়র খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ওই দু’টি ওয়ার্ডের রাস্তা সংস্কারের কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঠিকাদাররা সেই কাজ নিয়ে ফেলে রেখেছেন। কাজ করছেন না। একথা জানার পর মেয়র পুরসভার আধিকারিকদের নির্দেশ দেন এধরনের ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। মেয়র আধিকারিকদের এধরনের ঠিকাদারদের শোকজ করতে বলেন।  যাঁরা কাজ এখনও  শুরু করেননি, সাত দিনের মধ্যে তাঁদের কাজ শুরতে করতে হবে। না করলে তাঁদেরকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।  
মেয়রের এই বক্তব্যে ঠিকাদারদের একাংশের  পাল্টা অভিযোগ, বিপুল  বকেয়া টাকা না পাওয়ায় অনেকেই কাজ করতে চাইছেন না। ঠিকাদারদের এই অভিযোগ মানতে নারাজ মেয়র। তিনি বলেন, আমরা দায়িত্বে আসার আগে বামফ্রন্টের বোর্ডে ঠিকাদারদের বিপুল পরিমাণ অর্থ বকেয়া ছিল। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার সময় থেকে ধীরে ধীরে বকেয়া টাকা পরিশোধের কাজ শুরু করি। অনেক টাকা মেটানো হয়েছে। অনেকেই অনেক টাকা পেয়েছেন। একেবারে বকেয়া শূন্য করা যায়নি ঠিকই। কিন্তু তার জন্য কাজ নিয়ে ফেলে রাখা বরদাস্ত করা হবে না। যে কাজগুলি ফেলে রাখা হয়েছে সেগুলি সরকার অনুমোদিত। সরকারের থেকেই টাকা পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে টাকার কোনও অসুবিধা নেই। এধরনের কাজ করতে যদি ঠিকাদাররা অনীহা প্রকাশ করেন, আমি বাইরে থেকে ঠিকাদার এনে কাজ করাব।
সম্পর্কিত সংবাদ