নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলায় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ করা হবে একুশে জুলাইয়ের ব্লক ও শহর ভিত্তিক প্রস্তুতি সভা। সেই নিয়ে কর্মসূচির তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার থেকে শুরু হল ব্লক ও শহর ভিত্তিক একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা। এদিন কৃষ্ণনগরে শহর সংগঠন, তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেল এবং যুব সংগঠনের তরফ থেকে প্রস্তুতি সভা ডাকা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর সংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মহুয়া মৈত্র, চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমান সহ অন্যান্যরা। সেখানে একুশে জুলাইয়ে ধর্মতলায় কর্মীদের নিয়ে যাওয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে একুশে জুলাইয়ের সভায় রেকর্ড ভিড় জমাতে তৎপর জেলা নেতৃত্ব। বেলা সাড়ে ১১টার সময় কৃষ্ণনগর পুরসভার কক্ষে শহরের সংগঠন নিয়ে বৈঠক হয়। যদিও সেই সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারপার্সন রীতা দাস। তিনি বলেন, আমি জেলা সভাপতিকে জানিয়েছি যে প্রস্তুতি সভায় থাকতে পারব না। কারণ চিকিৎসা করাতে আমাকে কলকাতায় আসতে হয়েছে। তারপর বেলা ১২টা থেকে সভাপতি লিলুফার হোসেনের উদ্যোগে সংখ্যালঘু সেল এবং সভাপতি অয়ন দত্তের উদ্যোগে যুব সংগঠনের তরফ থেকে সভা করা হয়। সেখানে বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি সকল বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে করিমপুর-২ ও করিমপুর-১ ব্লকে নেতৃত্বের তরফ থেকে প্রস্তুতি সভা করা হবে। বুধবার নাকাশিপাড়া এবং কালীগঞ্জে প্রস্তুতি সভা করা হবে। শুক্রবার তেহট্ট-১, তেহট্ট-২ এবং করিমপুর-২ ব্লকে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার কৃষ্ণনগর-১ ও চাপড়া এবং রবিবার কৃষ্ণনগর-২ এবং কৃষ্ণনগর-১ ব্লকে এই সভা করা হবে। আগামী ১৪ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকল জেলা সভাপতিদের বৈঠকের জন্য ডেকেছেন। তার আগেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা শেষ করতে চাইছে তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব। চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমান বলেন, প্রতি ব্লকে ও অঞ্চলে অঞ্চলে এই প্রস্তুতির সভা করা হবে। একুশে জুলাইয়ের সভা সফল করতে সকলে মিলে একসঙ্গে ঝাঁপানো হয়েছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সভার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছনোই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি রবিবার বিকেলের দিকে ভাতজাংলা পঞ্চায়েতে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে বিজেপি সদস্য উর্মিলা চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলে যোগদান করে। মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের হাত থেকে তিনি পতাকা তুলে দেন। যোগদানের পর তিনি বলেন, আমি বিজেপির টিকিটে জিতেছিলাম। কিন্তু আমি কোনওভাবেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছিলাম না। জনসাধারণের স্বার্থে সামনের দিকে এগিয়ে চলার জন্য তৃণমূলে যোগদান করলাম।



