Bartaman Logo
২৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পূর্তদপ্তরের নিয়ম মানা হয়নি, কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ক্যান্টিন ভেঙে ফেলার নির্দেশ

সাত বছর ধরে চলা হাসপাতালের চিপ ক্যান্টিনের বিল্ডিংকে বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

পূর্তদপ্তরের নিয়ম মানা হয়নি, কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ক্যান্টিন ভেঙে ফেলার নির্দেশ
  • ৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে এবার কী বুলডোজার চলবে! সাত বছর ধরে চলা হাসপাতালের চিপ ক্যান্টিনের বিল্ডিংকে বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বেআইনি বিল্ডিং সাতদিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ও রোগীকল্যাণ সমিতি। চিফ ক্যান্টিনের ঠিকাদারকে নোটিস ধরানো হয়েছে। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার বিপ্লব মণ্ডল জানান, পূর্তদপ্তরের নিয়ম মেনে চিপ ক্যান্টিনের বিল্ডিং করা হয়নি। তাই ওই বিল্ডিং ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১জুন কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির বৈঠক হয়। সেখানে চিফ ক্যান্টিনের বেআইনি বিল্ডিংটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওইদিনই সাতদিনের সময়সীমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নোটিস ধরানো হয়েছে। এরমধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে তাঁর মালপত্র সরিয়ে নিয়ে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা না মানলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা ভেঙে ফেলবে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে রোগীকল্যাণ সমিতির বৈঠকে প্রায় আড়াই কাঠা জায়গায় চিপ ক্যান্টিন গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। সেখানে ঠিকাদার শিবপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় টেন্ডার পান। এরপর সেখানে পূর্তদপ্তরের নকশা তুলে দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের হাতে। ২০২২সালে পূর্তদপ্তরের সিভিল ও ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগ হাসপাতালকে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, চিপ ক্যান্টিনের বিল্ডিং নিয়ম মেনে করা হয়নি। পূর্তদপ্তরের কাছে নো-অবজেকশন নেননি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। তাই হাসপাতালের ভিতর বেআইনি বিল্ডিং ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

ঠিকাদার শিবপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাছে পূর্তদপ্তরের নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট রয়েছে। এমনকি হাসপাতালের কাছেও তার ফাইল রয়েছে। আমি সমস্ত নথি দেখাব। কিন্তু আমার প্রশ্ন, দীর্ঘ সাত বছর ধরে হাসপাতালের ভিতর চিপ ক্যান্টিন চলছে। এরমধ্যে একাধিকবার পূর্তদপ্তরের অফিসাররা এসেছিলেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের অফিসাররাও হাসপাতালে এসেছিলেন। বিল্ডিংটি যে অবৈধ এতদিন কারও চোখে পড়ল না? তাহলে এতদিন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হল না কেন? আমাকে হয়রানি করার জন্যই এসব করা হচ্ছে। হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে। আমি সুপারকে সমস্ত নথি দাখিল করব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ