নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: চোখের নিমেষে তালা কেটে দেয় সে। আলমারি ভাঙতেও লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। দক্ষ এসি মেকানিক হিসেবে নামডাক থাকা কারিগরই বিভিন্ন রাজ্যের পুলিসের মাথাব্যথা হয়ে উঠেছিল। পুলিসের চোখে ধুলো দিতে প্রতি অপারেশনের জন্য নিজের বেশভূষা বদল করত। কখনও লম্বা চুল সঙ্গে চাপদাড়ি। কখনও আবার একেবারে মিলিটারি ছাঁট চুল। প্রতি মুহূর্তে সিম ও ফোন বদল করে লোকেশন ট্র্যাকিং এড়ানো। সেই স্মার্ট চোরই অবশেষে ধরা পড়ল প্রেমের টানে। ভুল করে অপারেশনে গিয়ে প্রেমিকাকে কল করে ফেলে সে। মাত্র তিন সেকেন্ডের মধ্যে নিজের ভুল বুঝে ফোন কাটলেও সেই সূত্র ধরেই হীরাপুর থানার পুলিস জালে তুলেছে পুরুলিয়ার নবাব হায়দারকে। দশম শ্রেণি পাশ চোরের চুরির ‘নবাবি’ দেখে তাজ্জব পুলিসও।
Advertisement
বিভিন্ন জায়গায় নবাবের শাগরেদ রয়েছে। তারা কিন্তু চাইলে নবাবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে না। খুব প্রয়োজন পড়লে নবাবের একটি গোপন নম্বর কল করে শাগরেদরা। সেই ফোন কিন্তু সুইচ অফ থাকে। ‘বস’ কখন কোন নম্বর থেকে ফোন করবে তা শাগরেদরাও জানে না। তবে বস ঠিক যোগাযোগ করবে এই ভরসাতেই চলে কারবার। তারা মূলত চোরাই সামগ্রী বিক্রি করে। নবাবেব টিম মেম্বার বহু হলেও চুরির অপারেশনে কাউকে সঙ্গী নেয় না। একাই হীরাপুর থানার চিত্রায় থাকা এক স্বর্ণবন্ধকী সংস্থায় হানা দিয়েছিল। পুলিসের টহলভ্যান চলে আসায় অপারেশন সফল হয়নি। এমন কুখ্যাত চোরই হীরাপুর থানা এলাকায় ডেরা বেঁধেছিল। অবশেষে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করায় বহু থানার অফিসার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। তাকে হেফাজতে নিতে একাধিক থানা তোড়জোড় শুরু করেছে।
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের ডিসি(পশ্চিম) সন্দীপ কাররা বলেন, পুরুলিয়া এমনকী টাটাতেও একাধিক চুরি করে। হীরাপুরে কয়েকটি অপরাধ করে নবাব। তাকে গ্রেপ্তার করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কয়েকদিন আগে চিত্রা মোড়ে স্বর্ণবন্ধকী সংস্থায় তালা ভেঙে চুরির চেষ্টা হয়। পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বারমুডা ও গেঞ্জি পরা এক বছর ২৬-এর যুবক চিহ্নিত হয়। যার পিঠে ছিল বড় ব্যাকপ্যাক। কিন্তু কোনও বাইক বা গাড়ি ব্যবহারের প্রমাণ না মেলায় সূত্র মিলছিল না। পুলিস তার ছবি ছড়িয়ে দিতেই সূত্র দেয় পুরুলিয়া থানা। কুখ্যাত চোর নবাবকে চিনে নেয় তারা। ততদিনে একের পর এক চুরি করে সেখানকার পুলিসের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। এরপরই নবাব ‘অপারেশনে’ নেমে পড়ে পুলিস কমিশনারেট। দশম শ্রেণি পাশ চোরের বুদ্ধিতে তাজ্জব দুঁদে অফিসাররা। তার পুরনো কোনও নম্বরই চালু নেই। একটি পুরনো নম্বরে বহু ফোন দেখে পুলিস তার প্রেমিকাকে চিহ্নিত করে। নম্বর ট্র্যাক শুরু হয়। তা করতে গিয়েই সেই তিন সেকেন্ডের ভুল পুলিসের নজরে আসে।
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের ডিসি(পশ্চিম) সন্দীপ কাররা বলেন, পুরুলিয়া এমনকী টাটাতেও একাধিক চুরি করে। হীরাপুরে কয়েকটি অপরাধ করে নবাব। তাকে গ্রেপ্তার করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কয়েকদিন আগে চিত্রা মোড়ে স্বর্ণবন্ধকী সংস্থায় তালা ভেঙে চুরির চেষ্টা হয়। পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বারমুডা ও গেঞ্জি পরা এক বছর ২৬-এর যুবক চিহ্নিত হয়। যার পিঠে ছিল বড় ব্যাকপ্যাক। কিন্তু কোনও বাইক বা গাড়ি ব্যবহারের প্রমাণ না মেলায় সূত্র মিলছিল না। পুলিস তার ছবি ছড়িয়ে দিতেই সূত্র দেয় পুরুলিয়া থানা। কুখ্যাত চোর নবাবকে চিনে নেয় তারা। ততদিনে একের পর এক চুরি করে সেখানকার পুলিসের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। এরপরই নবাব ‘অপারেশনে’ নেমে পড়ে পুলিস কমিশনারেট। দশম শ্রেণি পাশ চোরের বুদ্ধিতে তাজ্জব দুঁদে অফিসাররা। তার পুরনো কোনও নম্বরই চালু নেই। একটি পুরনো নম্বরে বহু ফোন দেখে পুলিস তার প্রেমিকাকে চিহ্নিত করে। নম্বর ট্র্যাক শুরু হয়। তা করতে গিয়েই সেই তিন সেকেন্ডের ভুল পুলিসের নজরে আসে।



