নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওটির সামনে চিকিৎসককে কোপানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। মানসিক ভারসাম্যহীন এক রোগী শুক্রবার বিকেলে অপারেশন থিয়েটারের কাচি নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসককে আক্রমণ করে। মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে বহরমপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ওই মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তার গলায় কোপ দিয়ে খুনের চেষ্টা করে তারই বাবা। এদিন দুপুরে এই ঘটনাটি ঘটেছে জলঙ্গি থানার হোগলা দাঁয়ের গ্রামে। বাপন হালদার নামে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ক্ষতস্থানে অপারেশন করার জন্য ওটিতে ওই রোগীকে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরতা চিকিৎসককে কাঁচি চালিয়ে দেয় ওই যুবক। ওই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতাল জুড়ে। নিরাপত্তা রক্ষীরা খবর পেয়ে ছুটে যান। ওই রোগীকে হাত-পা বেঁধে অপারেশন করা হয়। জখম চিকিৎসকের হাতে সেলাই পড়েছে। পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
অভিযুক্ত যুবকের আত্মীয় স্বপন হালদার বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে বাপনের মানসিক চিকিৎসা চলছে। কিন্তু সময়মতো ওষুধ খায় না বাপন। শুক্রবার সকালে বাড়িতে খুব অত্যাচার শুরু করেছিল। একসময় নিজের বাবাকে হাসুয়া দিয়ে কোপাতে যায় সে। ওই হাসুয়া নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায় বাপ -বেটার মধ্যে। সেই সময় একটি কোপ বাপনের গলায় লাগে।
অন্যদিকে হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ অমিত কুমার দাঁ বলেন, ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন সেটা প্রথমে বোঝা যায়নি। তবে যেই হোক আহত হলেই তার চিকিৎসা হবে। সেরকম ভাবেই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই যুবককে। কিন্তু সেখানে হঠাৎ করে কর্তব্যরত চিকিৎসককে কাঁচি চালিয়ে দেবে সেটা ডাক্তার বুঝতে পারেননি। তবে ওই চিকিৎসক সুস্থ রয়েছেন, তার সেলাই পড়েছে।
বহরমপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, ঘটনার পরই আমরা মামলা রুজু করেছি।
অভিযুক্ত যুবকের আত্মীয় স্বপন হালদার বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে বাপনের মানসিক চিকিৎসা চলছে। কিন্তু সময়মতো ওষুধ খায় না বাপন। শুক্রবার সকালে বাড়িতে খুব অত্যাচার শুরু করেছিল। একসময় নিজের বাবাকে হাসুয়া দিয়ে কোপাতে যায় সে। ওই হাসুয়া নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায় বাপ -বেটার মধ্যে। সেই সময় একটি কোপ বাপনের গলায় লাগে।
অন্যদিকে হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ অমিত কুমার দাঁ বলেন, ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন সেটা প্রথমে বোঝা যায়নি। তবে যেই হোক আহত হলেই তার চিকিৎসা হবে। সেরকম ভাবেই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই যুবককে। কিন্তু সেখানে হঠাৎ করে কর্তব্যরত চিকিৎসককে কাঁচি চালিয়ে দেবে সেটা ডাক্তার বুঝতে পারেননি। তবে ওই চিকিৎসক সুস্থ রয়েছেন, তার সেলাই পড়েছে।
বহরমপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, ঘটনার পরই আমরা মামলা রুজু করেছি।



