সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় টোটো উল্টে জখম পরীক্ষার্থী ও চালক। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম পরীক্ষার্থী সম্রাট দাস (১৭), টোটো চালকের নাম মনোরঞ্জন বর্মন (১৫)।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনের বাড়ি আমিনপুর এলাকায়। সেখান থেকে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকের টোটোয় প্রায় ১০ জন পরীক্ষাথী মানিকোর হাইস্কুলে যাচ্ছিল। টোটো উল্টে যাওয়ায় গুরুতর চোট পায় পরীক্ষার্থী সম্রাট ও চালক মনোরঞ্জন। স্থানীয়রা জখমদের উদ্ধার করে কুশমণ্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে মানিকোর পরীক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষকেরা হাসপাতালে যান খোঁজ নিতে। কুশমণ্ডি অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক উপস্থিত হন হাসপাতালে। জখম পরীক্ষার্থীর প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। জখম টোটো চালক চিকিৎসাধীন রয়েছে। কুশমণ্ডি এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্করা টোটো নিয়ে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে, বাসিন্দাদের এমন অভিযোগ নতুন নয়। ফলে পথ নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে। পরীক্ষার সময় পুলিসের নজরদারির অভাবও নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিৎ করতে পুলিস ও সিভিক মোতায়েন করা হলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক টোটো চালক নজরে পড়ছে কেন, তা নিয়ে চলছে চর্চা। পাশাপাশি, আমিনপুর হাইস্কুলে পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থী লতিকা কুমার অসুস্থ হয়ে যায়। সে কুশমণ্ডি হাইস্কুলের ছাত্রী। স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্রীকে কুশমণ্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানেই পরীক্ষা দেয়। গঙ্গারামপুর চালুন হাইস্কুলের ছাত্রী আনিশা বেগম প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে এদিন সকালে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়। গঙ্গারামপুর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ সেখানেই তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করে। পরীক্ষা শেষ হলে সিজারের পর পুত্রসন্তানের জন্ম দেন ওই ছাত্রী। কুশমণ্ডি ব্লকের সেন্টার ইনচার্জ রমন দাস বলেন, আমিনপুর থেকে মানিকোর হাইস্কুলে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় টোটো উল্টে ছাত্র জখম হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা খারাপ থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসার পর সেখানেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।



