সংবাদদাতা, মায়াপুর: ২০২০ সালে নবদ্বীপের মণিপুর ঘাটকে হেরিটেজের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। ঘাটের সৌন্দর্যায়নও হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বাঁধানো ঘাটে স্নানের জায়গার একপাশে গঙ্গার জলে পুজোর ফুল, ভাঙা হাঁড়ি, ছেঁড়া কাপড়-জুতো সহ নানা আবর্জনা জমে রয়েছে। প্রতিমার কাঠামোও ছড়িয়ে রয়েছে। সমস্যায় পড়ছেন পুণ্যার্থীরা। ঘাট সংলগ্ন রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সেবাইত সন্ধ্যা অধিকারী বলেন, অনেকেই পুজোর ফুল সহ নানা আবর্জনা স্নানের ঘাটে ফেলছেন। কেউ কেউ আবার প্রতিমা বিসর্জনও দিচ্ছে। তাই আবর্জনা জমছে। ফলে স্নানের ঘাট নোংরা হচ্ছে। আমরা বারণ করলেও কেউ শোনেই না। কাটোয়ার প্রৌঢ়া জয়ন্তী সিনহা বলেন, পুণ্যস্নানের জন্য এসেছি। অথচ এখানে ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এত সুন্দর বাঁধানো ঘাট আবর্জনায় ভর্তি। ঘাট সংলগ্ন সরকারি বাথরুম তালাবন্ধ। আমরা মেয়েরা তাহলে কোথায় ভিজে পোশাক পরিবর্তন করব? এখানে বিদেশি ভক্ত-পর্যটক আসেন। তাঁদের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দু’বছর হল এই ঘাটের সংস্কার হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনও লোক নেই। বাথরুমও অধিকাংশ সময়ে বন্ধ থাকে। এই এলাকার কিছু অংশ মহীশূরা পঞ্চায়েতের অধীনে। আর কিছু অংশ নবদ্বীপ পুরসভার অধীন। ফলে কে দেখভাল করবে সেটাই মূল প্রশ্ন। পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, বাথরুম তো বন্ধ থাকার কথা নয়। বিষয়টি আমার নজরে ছিল না। অবশ্যই খতিয়ে দেখব। তিনি আরও বলেন, স্নানের ঘাটের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। ঘাটের পাশ থেকে আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার করে দিই। নাগরিকরা সচেতন হলে শহর সুন্দর থাকবে।



