Bartaman Logo
২৯ মে, ২০২৬

বিরোধী দলনেতাকে কালো পতাকা, বেইমানি প্রকাশ্যে চলে এসেছে, মোদিকে ফের আক্রমণ রাহুলের

‘পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড’। শনিবার ফের টুইট বোমা দাগলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শুক্রবার দিল্লির হাই প্রোফাইল এআই সম্মেলনে এই স্লোগান তুলে যুব কংগ্রেস কর্মীদের জামা খুলে প্রতিবাদের রেশ এখনও কাটেনি।

বিরোধী দলনেতাকে কালো পতাকা, বেইমানি প্রকাশ্যে চলে এসেছে, মোদিকে ফের আক্রমণ রাহুলের
  • ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড’। শনিবার ফের টুইট বোমা দাগলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শুক্রবার দিল্লির হাই প্রোফাইল এআই সম্মেলনে এই স্লোগান তুলে যুব কংগ্রেস কর্মীদের জামা খুলে প্রতিবাদের রেশ এখনও কাটেনি। জারি রাজনৈতিক তরজাও। এই আবহে রাহুলের টুইটে আবারও বিতর্ক বেড়েছে। এদিন টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড। তাঁর বেইমানি প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। তিনি রি-নেগশিয়েট করতে পারবেন না। তিনি আবারও আত্মসমর্পণ করবেন। স্বাভাবিকভাবেই এই ইস্যুতে তেড়েফুঁড়ে নেমেছে বিজেপি। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, কংগ্রেস আদতে দেশবিরোধী দল। চূড়ান্ত হতাশা থেকেই তারা এসব করছে। ভোটে জিততে না পেরেই কংগ্রেসকে অন্য পথ বেছে নিতে হচ্ছে। কংগ্রেস যা করেছে, তা নিছকই কোনো ভুল নয়। বরং ক্রাইম। এদিনও দিল্লির প্রেক্ষিতে তুমুল বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি যুব মোর্চা। সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটেছে, মহারাষ্ট্রের মুলুন্দে। একটি আদালত অবমাননার মামলায় এদিন থানে যাচ্ছিলেন রাহুল। পথেই গাড়ি ঘিরে কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। স্লোগান ওঠে লস্কর-ই-রাহুল।

Advertisement

শনিবার দিল্লির একটি আদালত ওই যুব কংগ্রেস কর্মীদের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। দিল্লি পুলিসের পক্ষ থেকে এদিন আদালতে জানানো হয়েছে যে, শুক্রবার ভারত মণ্ডপমে যা হয়েছে, তা আদতে বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ। নেপালে যেভাবে জেন-জি আন্দোলন হয়েছে, এখানেও সেই কায়দায় বিক্ষোভ হয়েছে যাতে, আন্তর্জাতিকস্তরে ভারতকে কালিমালিপ্ত করা যায়। বারবার দেশবিরোধী স্লোগান তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছে। যদিও ধৃতদের আইনজীবী জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদ, বিক্ষোভের অধিকার প্রত্যেকেরই আছে। এআই সামিটে যারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে, তারা প্রত্যেকেই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছে। এক্ষেত্রে কোনোরকম হিংসার আশ্রয় নেওয়া হয়নি। শনিবারও কার্যত একই যুক্তি দিয়েছে কংগ্রেসও। এব্যাপারে বিজেপির কটাক্ষ, ক্রমাগত ওই ঘটনার সাফাই দিয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস। এর থেকেই প্রমাণিত যে, আদতে দেশের মান-সম্মান কংগ্রেসের কাছে মূল্যহীন। ওটি শুধুমাত্র একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। পালটা কংগ্রেসের কটাক্ষ, আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির মতো দেশবিরোধী কাজ আর কিছু হয় না। ফলে বিজেপির দেশ বিরোধিতা নিয়ে কোনো জ্ঞান দেওয়া উচিত নয়। এই পরিস্থিতিতেই জানা যাচ্ছে যে, কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন কেন্দ্রীয় টিম ঘোষণা করতে চলেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। বঙ্গ ভোটের কথা মাথায় রেখে ওই টিমে থাকবেন বাংলার প্রতিনিধিও। কমিটিতে আসতে পারেন অরবিন্দ মেনন।

সম্পর্কিত সংবাদ