Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

শুল্ক ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী শিবির, ট্রাম্পের সুরে কথা রাহুলের, অস্বস্তিতে কং

’২৫ শতাংশ শুল্ক’ ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে মোদি তথা কেন্দ্রীয় সরকারকে কোণঠাসা করতে মরিয়া বিরোধীরা।

শুল্ক ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী শিবির, ট্রাম্পের সুরে কথা রাহুলের, অস্বস্তিতে কং
  • ১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ’২৫ শতাংশ শুল্ক’ ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে মোদি তথা কেন্দ্রীয় সরকারকে কোণঠাসা করতে মরিয়া বিরোধীরা। তার মধ্যেই কংগ্রেসের অন্দরে অস্বস্তি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুরে সুর মেলালেন রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঠিকই বলেছেন। ভারতের অর্থনীতি যে মৃতপ্রায়, এ বিষয়ে কারও কোনও সন্দেহ নেই। নরেন্দ্র মোদি দেশের অর্থনীতিকে খুন করেছেন। নোটবন্দি, ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি, ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষতি, বেকারত্ব—ভারতের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। শুধু প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী ব্যতীত গোটা দেশ তা জানে। 

Advertisement

কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ কেন্দ্রের গেরুয়া সরকারকে বিঁধে বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে মোদিজির বন্ধুত্ব ফাঁপা। এতই যদি সখ্য, তাহলে ২৫ শতাংশ শুল্কই শুধু নয়, তার সঙ্গে জরিমানার প্রশ্নও বা উঠল কেন! মোদির নীতি ব্যর্থ। কেন্দ্রের সমালোচনা করে আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বলেন, দু’দেশের মধ্যে এত আলোচনার পরেও কোনও গ্রহণযোগ্য সুরাহা হল না। উল্টে ভারতকে বিপাকে ফেলল আমেরিকা। প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধে মল্লিকার্জুনের খাড়্গের তোপ, নিজের প্রচার ছেড়ে এবার দেশের কথা সিরিয়াসলি ভাবুন। ট্রাম্প পাকিস্তানের সঙ্গে তেল নিয়ে চুক্তি করবেন বলছেন। ভারতকে হুমকি দিচ্ছেন। এর পরেও আপনি মৌনব্রত নিয়ে থাকবেন? ট্রাম্প-মোদির ‘বন্ধুত্ব’কে কটাক্ষ করেন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলেও। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ট্রাম্প একজন বর্ণবিদ্বেষী। তার পরেও মোদি আমেরিকায় গিয়ে তাঁর হয়ে প্রচার করেছিলেন। ট্রাম্প যেভাবে আমাদের দেশকে অসম্মান করেছেন, তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ট্রাম্পের মন্তব্যের পরেও মোদি বা জয়শঙ্কর কোনও নিন্দা করেননি। যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। 
রাহুল-খাড়্গে মোদির বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হলেও ভিন্ন সুর কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের গলায়। তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যা বলেছেন, তা খুবই চিন্তার বিষয়। তাই এ ব্যাপারে ভারত অন্যান্য দেশের সঙ্গে কথা বলছে। তাদের সঙ্গে নিয়ে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। তাছাড়া ভারত চীনের মতো স্রেফ রপ্তানি নির্ভর দেশ নয়। ভারতের নিজের একটা বড় বাজার আছে। আমেরিকার বাইরেও তো আমাদের বাজার আছে। তাই আমেরিকা একগুঁয়ে অবস্থান নিয়ে থাকলে আমাদেরও অন্যভাবে ভাবতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ