সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: নাবালিকা নিখোঁজের তদন্তে নেমে গ্রেপ্তার চার সন্তানের বাবা। মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি থানার পুলিস অভিযুক্তকে মাল ব্লকের ক্ষুদিরামপল্লি থেকে গ্রেপ্তার করেছে। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে ময়নাগুড়ির নিখোঁজ নাবালিকা। পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম শৈলেন রায়(৪৪)। তার বাড়ি ময়নাগুড়ি ব্লকের রামসাই গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ কালামাটি গ্রামে। নাবালিকাকে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ির সরকারি হোমে পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, সাতদিন আগে মোবাইলে রং নম্বরের মধ্য দিয়ে অভিযুক্তর সঙ্গে নাবালিকার পরিচয় হয়। অভিযুক্ত ৩১ জানুয়ারি নাবালিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এদিকে নাবালিকাকে বাড়িতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। আত্মীয়- পরিজনদের বাড়িতেও নাবালিকার খোঁজ না পেয়ে ২ ফ্রেবুয়ারি থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিস। অভিযুক্তর মোবাইলের লোকেশন ধরে নাবালিকাকে উদ্ধার হয়।
পুলিস সূত্রে খবর, অভিযুক্ত শৈলেন রায় বিবাহিত। তার তিন মে ও এক ছেলে রয়েছে। এদের মধ্যে এক মেয়ের বিয়েও হয়ে গিয়েছে। অভিযুক্তর কথায়, মোবাইলের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়েছিল। কিন্তু সে নাবালিকা আমি জানতাম না।
কিছুদিন আগে ময়নাগুড়ির তিন স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ তিন ছাত্রীকে হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ময়নাগুড়ি থানার পুলিস, রেলপুলিস সহ বিভিন্ন থানায় বিষয়টি জানান। সন্ধ্যায় উদ্ধার হয়ে যায় তিন স্কুল ছাত্রী। এবার ফের এক নাবালিকাকে উদ্ধার করতে সমর্থ্য হল পুলিস। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তদন্ত শুরু করেছিলাম। নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিস সূত্রে খবর, অভিযুক্ত শৈলেন রায় বিবাহিত। তার তিন মে ও এক ছেলে রয়েছে। এদের মধ্যে এক মেয়ের বিয়েও হয়ে গিয়েছে। অভিযুক্তর কথায়, মোবাইলের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়েছিল। কিন্তু সে নাবালিকা আমি জানতাম না।
কিছুদিন আগে ময়নাগুড়ির তিন স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ তিন ছাত্রীকে হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ময়নাগুড়ি থানার পুলিস, রেলপুলিস সহ বিভিন্ন থানায় বিষয়টি জানান। সন্ধ্যায় উদ্ধার হয়ে যায় তিন স্কুল ছাত্রী। এবার ফের এক নাবালিকাকে উদ্ধার করতে সমর্থ্য হল পুলিস। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তদন্ত শুরু করেছিলাম। নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে।



