Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অপহরণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফিরলেন ব্যবসায়ী, ধৃত অভিযুক্ত

অপহরণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফিরলেন ব্যবসায়ী, ধৃত অভিযুক্ত
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: অপহরণের চিত্রনাট্য সাজানো হলেও শেষরক্ষা হল না। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ি ফিরল অপহৃত। একইসঙ্গে অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করল রায়গঞ্জ থানার পুলিস। থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত বচ্চন প্রসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহৃতকে থানায় এনে পুলিস কথা বলছে।
Advertisement
মঙ্গলবার সকাল ১০টা নাগাদ ঘটনার সূত্রপাত। জানা গিয়েছে, ওই সময় বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ওষুধের ব্যবসায়ী আলিফ মহম্মদ বাইকে চালিয়ে সার কিনতে যান। তখনই তাঁকে অপহরণ করা হয়। ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে ফোন মারফৎ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারী। বলা হয় টাকা না দিলে ব্যবসায়ীকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। এই অবস্থায় পরিবারের লোকজন প্রথমে বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভবানন্দ বর্মনের দ্বারস্থ হন। তারপরই বিকেল বেলায় তাঁরা রায়গঞ্জ থানার পুলিসের দ্বারস্থ হন। এই অবস্থায় পুলিস যখন পদক্ষেপ করবে, তখন জানা যায় অপহৃত আলিফ মহম্মদ বাড়ি ফিরেছেন। এতে পরিবারে স্বস্তি ফিরলেও। ঘটনায় কিছুটা তাজ্জব বনে যায় পুলিসও। এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে তদন্তে নেমে অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে রায়গঞ্জ থানার পুলিস। 
অপহৃত আলিফ মহম্মদের স্ত্রী রাকেনা খাতুন বলেন, সপ্তাহখানেক আগে এলাকার একটি জমিতে বচ্চন প্রসাদ নামে এক ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে নির্মাণ কাজ শুরু করে। ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মারিয়া এলাকার কিছু বাসিন্দা সহ আমার স্বামীও সেই নির্মাণ কাজ ভাঙতে যান এবং ভেঙে দেন। তাতেই আমার স্বামীর উপর বেজায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বচ্চন। আমার স্বামীকে সে হুমকিও দেয়। মাঝে কয়েকদিন কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আচমকা এদিন এই কাণ্ডটি ঘটল। আমার স্বামী এদিন সকাল ১০টা নাগাদ বাইক চালিয়ে মারিয়া এলাকায় যান চাষের জন্য সার কিনতে। তখনই তাঁকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বচ্চন ও তার সঙ্গীরা। বেশ কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলেও আমার স্বামী ফেরে না। পরে স্বামীর মোবাইল থেকেই আমার ফোনে একটি আসে। সেখানে বলা হয়, মুক্তিপণ হিসেবে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। না হলে আমার স্বামীকে প্রাণে মেরে দেওয়া হবে। এই কথায় আমি খুব ঘাবড়ে যাই। পরিজন প্রতিবেশীদের ঘটনাটি জানাই। বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানেরও দ্বারস্থ হই আমরা। শেষে তাঁরই পরামর্শে রায়গঞ্জ থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। তবে বিকেলে স্বামী বাড়ি ফিরেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ