সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: চিরাচরিত জায়গার পরিবর্তে বান্দোয়ানের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা অফবিট জায়গা এখনও পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের ডেস্টিনেশন। বাইকার থেকে শুরু করে অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় অনেকেই লোকাল গাইডের সাহায্য নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে। অনেকেই আবার গভীর জঙ্গলেই তাঁবু খাটিয়ে করছেন ক্যাম্পিং।
Advertisement
পুরুলিয়ার এক প্রান্তে থাকা বন্দোয়ানের নাম বলতেই পর্যটকদের চোখে ভেসে ওঠে দুয়ারসিনির জঙ্গলে ঘেরা কটেজ ও মন্দির এবং কুইলাপাল জঙ্গলের কথা। পিকনিক হোক কিংবা রাত্রিবাস, ওই দু’টি জায়গা পর্যটকদের মন জয় করেছে বরাবর। যদিও বেশকিছু দিন ধরেই বান্দোয়ান এলাকায় অফবিট ট্যুরিজমের ঝোঁক বাড়ছে। বান্দোয়ানে এসেই নতুন নতুন জায়গার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ছেন পর্যটকরা। স্থানীয় গাইডেরা বলেন, বান্দোয়ান বাজার থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে টটকো ড্যাম। খানিক দূরেই রয়েছে পড়াশিয়ার শাল জঙ্গল। এক জায়গায় গিয়েই জঙ্গল ও ড্যাম দেখার স্বাদ মেটাতে টটকোর জুড়ি মেলা ভার। রাত্রিযাপনের জন্য বেসরকারি রির্সট রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ভালু পাহাড় এবং পপড়কচা লেক। বান্দোয়ান থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে ওই দু’টি জায়গা। ভালু পাহাড় বাইকারদের অন্যতম পছন্দের ডেস্টিনেশন। অফ রোডিং করে পাহাড়ে ওঠা যায়। পাহাড়ের উপরে রয়েছে একটি শিবমন্দিরও। ভালু পাহাড়ের ওপর ওয়াচ টাওয়ার থেকে সূর্যাস্ত দেখার আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। ভালু পাহাড় বেড়াতে গিয়ে আর মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যেই পর্যটকরা পৌঁছে যেতে পারবেন পপড়কচা লেকে। দু’দিকে পাহাড় এবং মাঝে এই লেক। লেকের ধারে বসে জঙ্গলে পাখির কলরব শুনতে পারবেন পর্যটকরা। বেসরকারি অতিথি নিবাসে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থাও রয়েছে। অন্যদিকে বান্দোয়ান বাজার থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে কাড়ালী পাহাড়। বান্দোয়ান বাজার এবং সংলগ্ন গোটা এলাকা কাড়ালী পাহাড়ের উপর থেকে খুব সুন্দরভাবে দেখা যায়। আবার বাইকে অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য কাটা পাহাড় অন্যতম পছন্দের এলাকা। বান্দোয়ান থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে কাটা পাহাড়ের হাতি যাতায়াতে পথ। পাহাড়ী রাস্তাতে অফ রোডিং করে পৌঁছন অনেকেই। এছাড়াও বান্দোয়ান থেকে দুয়ারসিনি এবং ঝাড়খণ্ডের গালুডি যাওয়ার আগে ধাদকা এলাকাতে রয়েছে পপ লেক। বিশালাকার জলাশয়ের তিনদিক জঙ্গলে ঘেরা। ঘড়াটিকা লেকটি আবার চারিদিকেই জঙ্গলে ঘেরা।
পাহাড়ের জল এসে পড়েছে ওই লেকে। স্থানীয় গাইডের সাহায্য নিয়ে পর্যটকরা পৌঁছে যেতে পারেন সেরেং ঝরনা। তবে গাইড না নিয়ে সেরেং ঝরনায় যাওয়া প্রায় অসম্ভব। বান্দোয়ান বাজার থেকে কুচিয়া যাওয়ার রাস্তায় প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে এই ঘোড়াটিকা লেক অবস্থিত। ওই রাস্তাতেই প্রায় আরও ৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কাঁটাগোড়ার গভীর জঙ্গল। এছাড়াও বান্দোয়ানে যমুনাজোড় ব্রিজ, হাড়গাড়ার জঙ্গল, বুড়িঝোড় ঝরনা এবং রাইকা পাহাড়েও অনেকেই বেড়াতে যাচ্ছেন। রাইকা পাহাড়ে বনদপ্তরের অনুমতি নিয়ে অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প করেন অনেকেই। রাইকা পাহাড়ে ট্রেকিংও করেন। রাইকার পাহাড়ই বান্দোয়ানের মধ্যে সবচেয়ে উঁচু পাহাড় বলে জানান স্থানীয়রা।
পাহাড়ের জল এসে পড়েছে ওই লেকে। স্থানীয় গাইডের সাহায্য নিয়ে পর্যটকরা পৌঁছে যেতে পারেন সেরেং ঝরনা। তবে গাইড না নিয়ে সেরেং ঝরনায় যাওয়া প্রায় অসম্ভব। বান্দোয়ান বাজার থেকে কুচিয়া যাওয়ার রাস্তায় প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে এই ঘোড়াটিকা লেক অবস্থিত। ওই রাস্তাতেই প্রায় আরও ৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কাঁটাগোড়ার গভীর জঙ্গল। এছাড়াও বান্দোয়ানে যমুনাজোড় ব্রিজ, হাড়গাড়ার জঙ্গল, বুড়িঝোড় ঝরনা এবং রাইকা পাহাড়েও অনেকেই বেড়াতে যাচ্ছেন। রাইকা পাহাড়ে বনদপ্তরের অনুমতি নিয়ে অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প করেন অনেকেই। রাইকা পাহাড়ে ট্রেকিংও করেন। রাইকার পাহাড়ই বান্দোয়ানের মধ্যে সবচেয়ে উঁচু পাহাড় বলে জানান স্থানীয়রা।



