Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

অপারেশন সিন্দুর: কোন কোন অস্ত্রগুলি ব্যবহার করেছিল ভারতীয় সেনা? পড়ুন বিস্তারিত

গতকাল, মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মোট ৯টি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনা

অপারেশন সিন্দুর: কোন কোন অস্ত্রগুলি ব্যবহার করেছিল ভারতীয় সেনা? পড়ুন বিস্তারিত
  • ৭ মে, ২০২৫ ১৬:০৫
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ৭ মে: পহেলগাঁওতে নৃশংস জঙ্গি হামলার কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। গতকাল, মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মোট ৯টি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনা। স্থল, বায়ু ও নৌসেনার মিলিত এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিন্দুর’। ২৫ মিনিটের অপারেশন, ২৪টি স্ট্রাইক করে ভারতীয় সেনা। লক্ষ্য ছিল ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ও সেখানে থাকা জঙ্গিরা। ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছে প্রত্যাঘাতের জেরে ৭০ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। সূত্রের খবর, জয়েশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারের পরিবারের দশ সদস্যও নিহত হয়েছে।

Advertisement

তবে পুরো হামলাটি ভারত চালিয়েছে নিজেদের এয়ারস্পেস থেকেই। আগের মতো সার্জিক্যাল বা এয়ারস্ট্রাইকের পদ্ধতিতে নয়। ভারতের মাটি থেকে দাঁড়িয়েই চিহ্নিত জায়গাগুলিতে হামলা চালানো হয়েছে। আর তাতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। রয়েছে স্ক্যাল্প ক্রুজ মিশালই, হ্যামার বোমা। কিন্তু কেন এই অস্ত্রগুলিই বাছা হয়? সেনা সূত্রে খবর, যাতে লক্ষ্যতেই আঘাত হানে অন্য কোথাও না আক্রমণ হয়। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের যাতে প্রাণহানি না হয় সেটাই মূল লক্ষ্য ছিল সেনাবাহিনীর। তাই এই অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলির গুণ হল-

স্ক্যাল্প ক্রুজ মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রের অন্য নাম ‘স্টর্ম শ্যাডো’। দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ২৫০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। ক্ষমতা রয়েছে লক্ষ্যবস্তুর গভীরে গিয়ে হামলা চালানোর। 

হ্যামার বোমা আদপে একটি স্মার্ট বম্ব, যার পুরো নাম হাইলি অ্যাজাইল মডিউলার মিউনিটন এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ। এই স্মার্ট বোমাটি  বাঙ্কার থেকে শুরু করে বহুতলে হামলা চালাতে সক্ষম। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে লস্কর-ই-তৈবা ও জয়েশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে এই বোমা দিয়েই। ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার রেঞ্জ রয়েছে স্মার্ট বোমাটির। এছাড়াও ভারতীয় সেনা গতকাল, রাতে হামলা চালাতে ব্যবহার করেছে কামিকাজে ড্রোন। আকাশপথে নজরদারি রেখে, টার্গেট বাছাই করতে এবং সেই নিশানায় আঘাত হানতে সাহায্য করেছিল এই ড্রোনই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ