ওয়াশিংটন: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর কেটে গিয়েছে ৩৭ দিন। কিন্তু বারবার হুমকি, আক্রমণ চালিয়েও তেহরানের হাত থেকে হরমুজ প্রণালীকে উদ্ধার করতে পারেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে এখনও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান। যত দিন যাচ্ছে, ট্রাম্পেরও ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে। তার প্রমাণও মিলল। হরমুজ খোলার জন্য ইরানকে হুঁশিয়ারি দিতে গিয়ে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একইসঙ্গে দিন উল্লেখ করে ইরানের কোথায় হামলা চালানো হবে, তারও তালিকা দিয়েছেন তিনি। তবে এরই মধ্যে আবার তিনি বলেছেন, আশা করছি মঙ্গলবারের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে ডিল সম্পন্ন হয়ে যাবে।
রবিবার নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ট্রাম্প লিখেছেন, মঙ্গলবার ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস’ ও ‘সেতু দিবস’ হবে। যার অর্থ ওইদিন ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে করা হবে। আগে এমনটা কখনও হয়নি। এরপরই অশ্লীল ভাষায় ট্রাম্প লেখেন, ‘হরমুজ খুলে দে পাগল। নাহলে নরকে বাস করতে হবে। দেখতে থাক কী হয়।’ এর আগেও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শান্তিচুক্তি না হলে তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকিকে পাত্তা দিতে নারাজ ইরান। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে তারা ‘অসহায়, উদ্বিগ্ন, ভারসাম্যহীন ও বোকামির কাজ’ বলে উল্লেখ করেছে। ইরানের সেনার পালটা দাবি, ট্রাম্পের জন্য নরকের সব দরজা খুলে দেওয়া হবে। সেনার সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার জানিয়েছে, ইরানের কোথায় যদি আমেরিকা বা ইজরায়েল হামলা চালায়, তাহলে পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।