সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডিতে মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে মহিলা অন্তঃসত্ত্বা! বিষয়টি সামনে আসতেই উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি পেত্নীদিঘি এলাকায় ভবঘুরে ওই মহিলা শারীরিক সমস্যায় কাতরাচ্ছিলেন। বিষয়টি লক্ষ্য করে স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন কুশমণ্ডি থানায়। পুলিস মহিলাটিকে উদ্ধার করে কুশমণ্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। শারীরিক পরীক্ষা করতে গিয়ে চিকিৎসক জানতে পারেন, মহিলাটি অন্তঃসত্ত্বা। এরপর মহিলাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই একাধিক পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে গঙ্গারামপুর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন মহিলাটি। গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার বাবুসোনা সাহা বলেন, ভবঘুরে মহিলাটি অন্তঃসত্ত্বা। আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। ভবঘুরে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা কী করে অন্তঃসত্ত্বা হলেন? অবাক কুশমণ্ডির বাসিন্দারা। মহিলার উপর কে বা কারা নির্যাতন চালিয়েছে, সেই বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী। জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি অম্বরীশ সরকার বলেন, কুশমণ্ডি থেকে ভবঘুরে মহিলাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে মহিলার প্রয়োজনীয় সমস্ত চিকিৎসা সুনিশ্চিত করতে বলেছি। এলাকার কোনও ব্যক্তি যদিও এই নির্মম অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকে তবে তদন্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বিজেপি এসসি মোর্চার রাজ্য সভাপতি সত্যেন রায় বলেন,অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। আমাদের জেলার কাছে ভীষণ লজ্জার বিষয় যে একজন মহিলাকে আমরা নিরাপত্তা দিতে পারছি না। পুলিস দোষীদের চিহ্নিত করে মহিলার চিকিৎসার ব্যবস্থা করুক। গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আমরা ভবঘুরে মহিলার কথা জানতে পেরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এলাকার কেউ যুক্ত কিনা আমরা খোঁজ নিচ্ছি।



