সংবাদদাতা, তপন: গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার ধার থেকে ছাগল ব্যবসায়ীর মৃতদেহ উদ্ধার হল। পরিবার পরিকল্পিত খুনের দাবি করলেও পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ব্যবসায়ীর।
Advertisement
মৃত সাইদুল মণ্ডলের (৪১) বাড়ি তপন থানার দীপখণ্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুথাই গ্রামে। পুলিস ও পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার রাতে জলঘরে ব্যবসার কাজে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে তিনি বালুরঘাটে যান। সেখানে কাজ শেষ করে ফেরার পথে তপন থানার শিলিগুড়ি মোড়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাইদুল। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পর মাঝরাতে বাইক নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
পরে পরিবারের লোকজন খবর পান গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাথিহার এলাকায় রাস্তার ধারে সাইদুলের দেহ পড়ে রয়েছে। পাশেই ছিল বাইকটি। পরিজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত সাইদুলকে উদ্ধার করে বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে জানান।
পরিবারের অভিযোগ, সাইদুল ছাগলের ব্যবসা করতেন বলে তাঁর কাছে সবসময় মোটা টাকা থাকত। মাঝরাতে একা পেয়ে হয়তো দুষ্কৃতীরা তাঁর টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে খুন করা হয়েছে। তাছাড়া পরিকল্পনা করেও হামলার ঘটনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন পরিজনরা।
মৃতের দাদা সামাদ মণ্ডল বলেন, পথ দুর্ঘটনা হলে ভাইয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা। কিন্তু সেরকম কিছু আমরা দেখতে পাইনি। তবে, সামান্য কিছু আঁচড়ের মতো লক্ষ্য করেছিলাম। ভাইয়ের কাছে টাকাপয়সা থাকত বলে পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আমাদের মনে হচ্ছে।
যদিও তপন থানার পুলিস জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটা পথ দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। ওই ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। এখনও অভিযোগ জমা পড়েনি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে বলা যাবে ঠিক কী ঘটেছে।
পরে পরিবারের লোকজন খবর পান গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাথিহার এলাকায় রাস্তার ধারে সাইদুলের দেহ পড়ে রয়েছে। পাশেই ছিল বাইকটি। পরিজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত সাইদুলকে উদ্ধার করে বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে জানান।
পরিবারের অভিযোগ, সাইদুল ছাগলের ব্যবসা করতেন বলে তাঁর কাছে সবসময় মোটা টাকা থাকত। মাঝরাতে একা পেয়ে হয়তো দুষ্কৃতীরা তাঁর টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে খুন করা হয়েছে। তাছাড়া পরিকল্পনা করেও হামলার ঘটনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন পরিজনরা।
মৃতের দাদা সামাদ মণ্ডল বলেন, পথ দুর্ঘটনা হলে ভাইয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা। কিন্তু সেরকম কিছু আমরা দেখতে পাইনি। তবে, সামান্য কিছু আঁচড়ের মতো লক্ষ্য করেছিলাম। ভাইয়ের কাছে টাকাপয়সা থাকত বলে পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আমাদের মনে হচ্ছে।
যদিও তপন থানার পুলিস জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটা পথ দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। ওই ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। এখনও অভিযোগ জমা পড়েনি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে বলা যাবে ঠিক কী ঘটেছে।



