সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ফের তপ্ত হচ্ছে সুজালি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত কমলাগাঁও সুজালি পঞ্চায়েত প্রধানকে অপসারণের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্নায় বসেছে দলের অঞ্চল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত প্রধান ও বেশকিছু তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য চোপড়া বিধায়ক হামিদুল রহমানের ছত্রছায়ায় অশ্রয় নিয়েছেন। ফলে তৃণমূলের চোপড়া ও ইসলামপুর লবির মধ্যে কাজিয়া প্রকাশ্যে এসেছে। এতে এলাকা তপ্ত হতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, কমলাগাঁও সুজালি পঞ্চায়েত প্রশাসনিক দিক থেকে ইসলামপুর ব্লকের অধীন। আবার বিধানসভাগত দিক থেকে চোপড়া বিধানসভার অংশ। তাই সুজালি নিয়ে ইসলামপুর ও চেপড়ার তৃণমূল নেতৃত্বের মধ্যে আগাগোড়াই দড়ি টানাটানি চলেছে, এখনও চলছে।
Advertisement
শুক্রবার সকালে পঞ্চায়েত অফিসের গেটের সামনে নেতা-কর্মীরা ধর্নায় বসেন। প্রতিদিন দু’টি করে বুথের কর্মী-সমর্থকরা ধর্নায় বসবেন বলে ঠিক হয়েছে। মোট ২৭টি বুথ আছে। এরমধ্যে প্রথম দিনে কালুহাট ও ধুলুগাঁ বুথের নেতা-কর্মীরা ধর্নায় বসেছিলেন। প্রধান পদ থেকে অপসারিত না হওয়া পর্যন্ত ধর্না চলবে। ১৩ নভেম্বর অঞ্চল নেতৃত্ব প্রধানকে অপসারণের দাবি ও তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে বিডিও অফিসে আবেদন জানিয়েছে। এদিন থেকে ধর্নায় বসায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সুজালির তৃণমূল নেতা তথা ব্লক কমিটির সহ সভাপতি কামালউদ্দিন বলেন, আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রধান বহু মানুষের কাছ থেকে ১০-১৫ হাজার করে কাটমানি নিয়েছেন। সম্প্রতি চাপে পড়ে কিছু মানুষকে টাকা ফেরতও দিয়েছেন। বিভিন্ন জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন। তাই আমরা প্রধানকে পদ থেকে সরানোর দাবিতে ধর্নায় বসেছি। তৃণমূলের সুজালি অঞ্চল সভাপতি আবদুস সাত্তার বলেন, আমাদের ধর্না লাগাতার চলতেই থাকবে। প্রধান নুরি বেগম বলেন, আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে প্রমাণ করুক। অধিকাংশ সদস্য আমার সঙ্গে থাকার পরেও মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। আমরা চোপড়ার বিধায়কের নেতৃত্বে চলব।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধান নুরি বেগম ও অধিকাংশ পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে হামিদুল সাহেবে বলেন, ১৯ জন পঞ্চায়েত সদস্য প্রধানের সঙ্গে আছেন। সুজালিতে আমার লোকদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। আমি এতদিন চুপ ছিলাম কিন্তু এখন আর চুপ থাকব না। পুলিস প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।
সুজালির তৃণমূল নেতা তথা ব্লক কমিটির সহ সভাপতি কামালউদ্দিন বলেন, আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রধান বহু মানুষের কাছ থেকে ১০-১৫ হাজার করে কাটমানি নিয়েছেন। সম্প্রতি চাপে পড়ে কিছু মানুষকে টাকা ফেরতও দিয়েছেন। বিভিন্ন জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন। তাই আমরা প্রধানকে পদ থেকে সরানোর দাবিতে ধর্নায় বসেছি। তৃণমূলের সুজালি অঞ্চল সভাপতি আবদুস সাত্তার বলেন, আমাদের ধর্না লাগাতার চলতেই থাকবে। প্রধান নুরি বেগম বলেন, আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে প্রমাণ করুক। অধিকাংশ সদস্য আমার সঙ্গে থাকার পরেও মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। আমরা চোপড়ার বিধায়কের নেতৃত্বে চলব।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধান নুরি বেগম ও অধিকাংশ পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে হামিদুল সাহেবে বলেন, ১৯ জন পঞ্চায়েত সদস্য প্রধানের সঙ্গে আছেন। সুজালিতে আমার লোকদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। আমি এতদিন চুপ ছিলাম কিন্তু এখন আর চুপ থাকব না। পুলিস প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।



