নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শুধু চোরাচালান নয়, জঙ্গি অনুপ্রবেশের আশঙ্কাও অব্যাহত। ইতিমধ্যেই আল কায়েদা জঙ্গি গোষ্ঠীর সহায়তাকারীদের খোঁজে অপারেশন চালিয়েছে এনআইএ। উত্তরবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গেটে বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক। তাতেই নিয়মিত গ্রামবাসীদের হাজিরা নেওয়া হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই এমন পদক্ষেপ বিএসএফের। একইসঙ্গে বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি সূর্যকান্ত শর্মার নির্দেশে জওয়ানরা নজরদারিও বাড়িয়েছেন সীমান্তে।
Advertisement
ভৌগোলিক কারণেই উত্তরবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বহু গ্রাম কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে ভারতীয় ভূখণ্ডে। সেখানে বাসিন্দারা বসবাস করছেন। আবার কিছু জায়গায় কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে আছে চাষের জমি। এমন অবস্থানের জেরেই সীমান্তে চোরাচালানকারীদের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিনের। মাঝেমধ্যেই সীমান্ত দিয়ে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, ইয়াবা ট্যাবলেট, গোরু পাচার হচ্ছে। ওপার থেকে আসছে সোনা। এরসঙ্গে বাংলাদেশিরাও অনুপ্রবেশ করছে। কেউ খেতমজুর, আবার কেউ দিনমজুরের বেশে আসছে এপারে। এমন বেশে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জঙ্গিরাও অনায়াসেই এপারে আসতে পারে বলে আশঙ্কা। তা রুখতেই বিএসএফ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়েছে।
বিএসএফ সূত্রের খবর, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, মেখলিগঞ্জ, রায়গঞ্জ, হিলি প্রভৃতি এলাকায় কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে ভারতীয় গ্রাম ও চাষের জমি রয়েছে। সেইসব গ্রামবাসীদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের চেহারা, ভাষার হুবহু মিল রয়েছে। এজন্যই সীমান্ত গ্রামের গেট সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। নিরাপত্তার জন্য আগে সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলির বাসিন্দাদের ভোটারকার্ড, আধার কার্ড সহ বিভিন্ন ধরনের সচিত্র পরিচয়পত্র যাচাই করা হতো। এবার গেটে গেটে বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিন। তাতে বুড়ো আঙুলের ছাপ দিয়েই বেড়ার ওপারের গ্রামবাসীরা যাতায়াত করছেন। আবার এপার থেকে গ্রামবাসীরাও একইভাবে চাষের জমিতে যাচ্ছেন।
বিএসএফের এক কর্তা বলেন, ইতিমধ্যেই আধার কার্ড ও সচিত্র ভোটার কার্ড খতিয়ে দেখে সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের নাম, ঠিকানা ছবি সহ সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এরপরই প্রত্যেকটি গেটে বায়োমেট্রিক মেশিন বসানো হয়েছে। তাতে আঙুলের ছাপ দিলেই মনিটরে ভেসে উঠছে বাসিন্দার ছবি সহ নাম ও ঠিকানা। এভাবেই গ্রাম ও চাষের জমিতে যাতায়াতের ছাড়পত্র মিলছে। তা না হলে আটকে দেওয়া হচ্ছে। এই পথে ২৫ জন অনুপ্রবেশকারীকে আটকাটানো সম্ভব হয়েছে। আইজি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সীমান্ত গ্রামের নজরদারিতে প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে।
বিএসএফ সূত্রের খবর, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, মেখলিগঞ্জ, রায়গঞ্জ, হিলি প্রভৃতি এলাকায় কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে ভারতীয় গ্রাম ও চাষের জমি রয়েছে। সেইসব গ্রামবাসীদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের চেহারা, ভাষার হুবহু মিল রয়েছে। এজন্যই সীমান্ত গ্রামের গেট সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। নিরাপত্তার জন্য আগে সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলির বাসিন্দাদের ভোটারকার্ড, আধার কার্ড সহ বিভিন্ন ধরনের সচিত্র পরিচয়পত্র যাচাই করা হতো। এবার গেটে গেটে বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিন। তাতে বুড়ো আঙুলের ছাপ দিয়েই বেড়ার ওপারের গ্রামবাসীরা যাতায়াত করছেন। আবার এপার থেকে গ্রামবাসীরাও একইভাবে চাষের জমিতে যাচ্ছেন।
বিএসএফের এক কর্তা বলেন, ইতিমধ্যেই আধার কার্ড ও সচিত্র ভোটার কার্ড খতিয়ে দেখে সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের নাম, ঠিকানা ছবি সহ সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এরপরই প্রত্যেকটি গেটে বায়োমেট্রিক মেশিন বসানো হয়েছে। তাতে আঙুলের ছাপ দিলেই মনিটরে ভেসে উঠছে বাসিন্দার ছবি সহ নাম ও ঠিকানা। এভাবেই গ্রাম ও চাষের জমিতে যাতায়াতের ছাড়পত্র মিলছে। তা না হলে আটকে দেওয়া হচ্ছে। এই পথে ২৫ জন অনুপ্রবেশকারীকে আটকাটানো সম্ভব হয়েছে। আইজি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সীমান্ত গ্রামের নজরদারিতে প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে।



