নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: শিক্ষকরা অনিয়মিত যাতায়াত করেন। তার জেরে স্কুলে পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে। এমনই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার বাঁকুড়ার ছাতারডিহি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখান। অন্যান্য দিনের মতো এদিনও শিক্ষকরা দেরিতে বিদ্যালয়ে পৌঁছলে ক্ষোভ তীব্র হয়। অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের গেটের তালা খুলতে বাধা দেন। তার জেরে শিক্ষকদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। পরে দেরি না করার আশ্বাস দিলে স্কুল গেট খোলা হয়। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।
Advertisement
অভিভাবকদের অভিযোগ, ছাত্রছাত্রীরা সময়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছলেও শিক্ষকদের দেখা পাওয়া যায় না। ফলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও আশপাশে ছাত্রছাত্রীরা ঘুরে বেড়ায়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে আসার জন্য বহুবার বলা হলেও তাঁরা কথায় আমল দেননি। উল্টে উপরমহলে চেনা জানা আছে জানিয়ে অভিভাবকদের প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে বলে বাসিন্দারা এদিন দাবি করেন। শিক্ষকরা দেরিতে বিদ্যালয়ে আসার কথা স্বীকার করলেও হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ভজহরি চট্টোপাধ্যায়, মন্দিরা বাগদি বলেন, প্রধান শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাঁকুড়া শহরে থাকেন। প্রধান শিক্ষকের পাশাপাশি এক সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে রয়েছেন। দু’জনেই এক-দেড় ঘণ্টা দেরিতে বিদ্যালয়ে আসেন। তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে বাড়ি চলে যান। স্কুলের পড়াশোনা লাটে উঠেছে। অর্ধেক ছাত্রছাত্রী স্কুলে আসছে না। মিড ডে মিলের হিসেবও আমাদের কোনওদিন দেখানো হয় না। কিছু বলতে গেলেই প্রধান শিক্ষক দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। উপরমহলে লোক আছে জানিয়ে, আমরা কিছু করতে পারব না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। এমনকী, দুই শিক্ষক কার্যত ‘রোটেশনে’ ডিউটি করেন। একজন করে বিদ্যালয়ে হাজির হন। অপরজন বাড়িতে থাকেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, সাড়ে ১০টায় স্কুল খোলে। আমি স্কুলে পৌঁছই ১১টা নাগাদ। আমার বাড়িতে কিছু সমস্যা রয়েছে। আমার গাড়িটিও খারাপ। সেই কারণে সমস্যা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে আমরা স্কুলে আসার চেষ্টা করব। তবে রোটেশনে ডিউটি করা বা হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। আমি ও সহ শিক্ষক একসঙ্গেই কাজ করি। তবে ছুটি থাকলে অন্য কথা। তখন তো বিদ্যালয় এমনিতেই বন্ধ থাকে। -নিজস্ব চিত্র
স্থানীয় বাসিন্দা ভজহরি চট্টোপাধ্যায়, মন্দিরা বাগদি বলেন, প্রধান শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাঁকুড়া শহরে থাকেন। প্রধান শিক্ষকের পাশাপাশি এক সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে রয়েছেন। দু’জনেই এক-দেড় ঘণ্টা দেরিতে বিদ্যালয়ে আসেন। তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে বাড়ি চলে যান। স্কুলের পড়াশোনা লাটে উঠেছে। অর্ধেক ছাত্রছাত্রী স্কুলে আসছে না। মিড ডে মিলের হিসেবও আমাদের কোনওদিন দেখানো হয় না। কিছু বলতে গেলেই প্রধান শিক্ষক দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। উপরমহলে লোক আছে জানিয়ে, আমরা কিছু করতে পারব না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। এমনকী, দুই শিক্ষক কার্যত ‘রোটেশনে’ ডিউটি করেন। একজন করে বিদ্যালয়ে হাজির হন। অপরজন বাড়িতে থাকেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, সাড়ে ১০টায় স্কুল খোলে। আমি স্কুলে পৌঁছই ১১টা নাগাদ। আমার বাড়িতে কিছু সমস্যা রয়েছে। আমার গাড়িটিও খারাপ। সেই কারণে সমস্যা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে আমরা স্কুলে আসার চেষ্টা করব। তবে রোটেশনে ডিউটি করা বা হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। আমি ও সহ শিক্ষক একসঙ্গেই কাজ করি। তবে ছুটি থাকলে অন্য কথা। তখন তো বিদ্যালয় এমনিতেই বন্ধ থাকে। -নিজস্ব চিত্র



