সংবাদদাতা, কালিয়াচক: কালিয়াচকে ফের অভিযান জেলা প্রশাসনের সার্ভেল্যান্স টিমের। এবার অভিযান সিলামপুর গ্রামীণ হাসপাতাল ও সুজাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানে পিপিপি মডেলে চলা দুটি প্যাথলজি ল্যাব সিল করে দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ল্যাবরেটরি সরকার ও বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছিল। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী ও গর্ভবতীদের রক্ত সহ নানা টেস্টের জন্য এই পিপিপি মডেলের ল্যাবরেটরিতে অর্ধেক খরচে পরিষেবা দেওয়া হতো। অভিযোগ, এই দুটি ল্যাবরেটরি একটি সংস্থা চালায়। কিন্তু একবছর আগে থেকে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে। এরপরই নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর ও জেলা প্রশাসনের সার্ভেল্যান্স টিম। সোমবার বিকেলে টিম নিয়ে ল্যাবরেটরিগুলিতে হানা দেন মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ী ও জেলা প্রশাসনের অন্য আধিকারিকরা। কাগজপত্র খতিয়ে দেখে অনিয়মের কথা জানতে পারেন তাঁরা।
মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক বলেন, ল্যাবরেটরিগুলিতে বেআইনি কর্মকাণ্ড চলছিল। বেশকিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল আমাদের কাছে। একটাও নিয়ম মানেনি সংস্থাটি। সেজন্য ল্যাবরেটরি সিল করা হয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত করা হবে। পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয় তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ওই সংস্থার কর্মী আবদুল রহমান বলেন, কেন ল্যাবরেটরি সিল করা হয়েছে জানি না। তবে মালিককে স্বাস্থ্য অধিকারিক ডেকে পাঠিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা রোগীর আত্মীয় গোলাম হাবিবের কথায়, এই পিপিপি মডেলের ল্যাবরেটরিতে অর্ধেক খরচ। কিন্তু অন্যায়ভাবে রোগীর পরিজনদের কাছ থেকে রক্ত সহ বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছিল। প্রতিবাদ করলেও কর্মীরা পাত্তা দিত না।
মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক বলেন, ল্যাবরেটরিগুলিতে বেআইনি কর্মকাণ্ড চলছিল। বেশকিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল আমাদের কাছে। একটাও নিয়ম মানেনি সংস্থাটি। সেজন্য ল্যাবরেটরি সিল করা হয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত করা হবে। পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয় তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ওই সংস্থার কর্মী আবদুল রহমান বলেন, কেন ল্যাবরেটরি সিল করা হয়েছে জানি না। তবে মালিককে স্বাস্থ্য অধিকারিক ডেকে পাঠিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা রোগীর আত্মীয় গোলাম হাবিবের কথায়, এই পিপিপি মডেলের ল্যাবরেটরিতে অর্ধেক খরচ। কিন্তু অন্যায়ভাবে রোগীর পরিজনদের কাছ থেকে রক্ত সহ বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছিল। প্রতিবাদ করলেও কর্মীরা পাত্তা দিত না।



