সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: অনলাইনে আবেদনের পর ক্যাফে থেকে পাওয়া যাচ্ছে জাল জাতিগত শংসাপত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেট। আর এমনই বেশকিছু শংসাপত্র ময়নাগুড়ি ব্লক অফিসে জমা পড়তেই তদন্তে নামল প্রশাসন। ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে একটি সাইবার ক্যাফে। এই ঘটনায় কারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু। তাঁর দাবি, বেশকিছু কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাক করা হয়েছে।
Advertisement
সরকারি বিভিন্ন ধরনের আবেদন ক্যাফেতে বসেই করা যায়। স্কলারশিপ, চাকরির ফর্ম পূরণ সহ বিভিন্ন ধরনের অনুদানের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই কাস্ট সার্টিফিকেটের ফটোকপি বিডিও অফিস কিংবা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবেদনকারীকে জমা করতে হয়। স্ক্রুটনির জন্য ফটোকপি দিতে হয়। আর তা পরীক্ষা করতে গিয়েই বেশকিছু জাল কাস্ট সার্টিফিকেট ব্লক প্রশাসনের হাতে এসেছে।
বিডিও বলেন, কেউ জাতিগত শংসাপত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন করলে সেখান থেকে একটি স্লিপ দেওয়া হয়। আমাদের কাছেও সেই স্লিপ আসে। এরপর আবেদনকারীকে ডাকা হয়। তাঁর সমস্ত কাগজপত্র ভেরিফিকেশন করা হয়। পরবর্তীতে আবেদনকারী শংসাপত্র পেয়ে থাকেন। তবে কিছু অসাধু লোক আবেদনকারীদের ঠকাচ্ছে। তারা বলছে, অনলাইনে আবেদন করলেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে। টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয় ওসব। আর আবেদনকারীরা বুঝতেও পারেন না শংসাপত্রটি আসল না জাল।
বিডিওর সংযোজন, পরবর্তীতে তাঁরা বিভিন্ন আবেদনের সঙ্গে কাস্ট সার্টিফিকেট জুড়ে দেন। এরপর যখন স্ক্রুটিনি করা হয় তখন সেটি ধরা পড়ে যায়। কারণ একটি সিরিয়াল নম্বর থাকে সেটা মেলে না। এরকম একাধিক জাল সার্টিফিকেট পেয়েছি। আমাদের ধারণা কোনও চক্র এই কাজ করছে। তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।
বিডিও বলেন, কেউ জাতিগত শংসাপত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন করলে সেখান থেকে একটি স্লিপ দেওয়া হয়। আমাদের কাছেও সেই স্লিপ আসে। এরপর আবেদনকারীকে ডাকা হয়। তাঁর সমস্ত কাগজপত্র ভেরিফিকেশন করা হয়। পরবর্তীতে আবেদনকারী শংসাপত্র পেয়ে থাকেন। তবে কিছু অসাধু লোক আবেদনকারীদের ঠকাচ্ছে। তারা বলছে, অনলাইনে আবেদন করলেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে। টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয় ওসব। আর আবেদনকারীরা বুঝতেও পারেন না শংসাপত্রটি আসল না জাল।
বিডিওর সংযোজন, পরবর্তীতে তাঁরা বিভিন্ন আবেদনের সঙ্গে কাস্ট সার্টিফিকেট জুড়ে দেন। এরপর যখন স্ক্রুটিনি করা হয় তখন সেটি ধরা পড়ে যায়। কারণ একটি সিরিয়াল নম্বর থাকে সেটা মেলে না। এরকম একাধিক জাল সার্টিফিকেট পেয়েছি। আমাদের ধারণা কোনও চক্র এই কাজ করছে। তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।



