সংবাদদাতা, ঘাটাল: সরকারি কাজে গিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পানীয় জলের লাইন কেটে দিয়েছে। ফলে তিন মাস দাসপুর-২ ব্লকের কিসমৎ-খানজাপুর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পানীয় জল নেই। অনেক দূর থেকে পানীয় জল এনে রান্না করা ও বাসন ধোয়ার কাজ করতে হচ্ছে। ওই ২০৭ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী চায়না দলুই বলেন, ‘পানীয় জলের সঙ্কটের কথা বার বার গ্রামপঞ্চায়েতে জানিয়েছি। কিন্তু তারা কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে আমি নিরুপায়।’ এনিয়ে খানজাপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান অনিতা পাত্র জানিয়েছেন, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সমস্যাটি তিনি খোঁজ নিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।প্রায় মাস তিনেক আগে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সোকপিট তৈরি করতে গিয়েছিলেন ঠিকাদার সংস্থার কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা তন্ময় দোলই জানান, তখনই সোকপিটের কাজ করতে গিয়ে তাঁরা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পানীয় জলের সংযোগ পাইপটি কেটে দিয়ে চলে যান। বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তাঁরা স্থানীয়দের কথায় গুরুত্ব দেননি। ওই কেন্দ্রে কোনও সহায়িকা নেই। তাই সেই সময় থেকেই শিশুদের সেন্টারে বসিয়ে রেখে অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীকে ২০০ মিটার দূরে লোকের বাড়ি থেকে পানীয় জল আনতে হয়। উপভোক্তাদের মধ্যে সুস্মিতা পোড়ে, মামণি সামন্ত, রূপসী বেরা প্রমুখ জানান, পানীয় জলের সমস্যা ছাড়াও ওই অঙ্গনওয়াড়ির কেন্দ্রটির পরিবেশ ভালো নয়। স্টোররুমের অ্যাসবেস্টস ভাঙা। রান্নাঘরের চারদিক ত্রিপল দিয়ে ঘেরা। তাই ওই পরিবেশে বাড়ির বাচ্চাদের পাঠাতে ভয় করে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী বলেন, ‘স্টোররুম এবং রান্নাচালাটি অবিলম্বে সংস্কার করার প্রয়োজন। আমি বার বার প্রশাসনে জানিয়েছি। গ্রামপঞ্চায়েত থেকে একটি ত্রিপল দিয়েছিল। সেটিই স্টোররুমের ছাউনিতে দেওয়া রয়েছে। কিন্তু রুমগুলি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’



