সংবাদদাতা, তেহট্ট: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবার নিম্নমানের। খিচুড়ির বদলে দেওয়া হয়েছে ফ্যানভাত। শিক্ষিকাও সময়মতো আসেন না। বিভিন্ন অভিযোগ তুলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। ঘন্টাখানেক চলে সেই বিক্ষোভ। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে তেহট্ট - ১ ব্লকের রঘুনাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাবড়িপাড়া ৬৯ নং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬৯ নম্বর কেন্দ্রের দিদিমনি শোভা বিশ্বাস। এই কেন্দ্রে নেই কোন সহায়িকা। গ্রামবাসীর অভিযোগ, ওই দিদিমনি ঠিক সময়ে কেন্দ্রে আসে না। প্রতিদিন দেরি করে আসেন। কোন দিন ঠিক ভাবে সব্জি বা খিচুড়ি করেন না। এদিন সকালে শিশুদের খাবার দেওয়ার সময় অভিভাবকেরা লক্ষ্য করেন যে খিচুড়ির বদলে ফ্যানভাত দেওয়া হচ্ছে। এই দেখে এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা ঐ কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের দাবি এই ভাবে খাবার কেন দেওয়া হবে। সঠিক খাবার দিতে হবে। এলাকার বাসিন্দা নিমাই হালদার বলেন, ওই দিদিমনি কোনওদিন সময়ে সেন্টারে আসেন না। বেশির ভাগ দিন ফ্যানভাত দেওয়া হয়। ডাল চাল ডিম সব্জি সরকারের কাছ থেকে পেলেও সপ্তাহে তিন চার দিন ফ্যানভাত দেওয়া হয়। আমরা চাই এই বিষয়ে প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।
এই বিষয়ে ওই কেন্দ্রের দিদিমনি শোভা বিশ্বাস বলেন, সপ্তাহে তিনদিন সাদা ভাত দেওয়া যায়। আমি ছয়দিন খিচুড়ি দেওয়ার চেষ্টা করি। কাল ডাল শেষ হয়ে গিয়েছিল তাই আনতে পারেনি। আগামীকাল থেকে আবার খিচুড়ি দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, এই কেন্দ্রে কোনও সহায়িকা নেই। আমি টাকা দিয়ে এই সহায়িকা রেখেছি যাতে কোনও শিশু বা মায়েদের অসুবিধা না হয়।
এই বিষয়ে সিডিপিও অনুপম নাথ বলেন, আমরা এলাকা থেকে খবর পেয়েছি। ওই দিদিমনিকে শোকজ করা হবে। শোকজের উত্তর দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এই বিষয়ে ওই কেন্দ্রের দিদিমনি শোভা বিশ্বাস বলেন, সপ্তাহে তিনদিন সাদা ভাত দেওয়া যায়। আমি ছয়দিন খিচুড়ি দেওয়ার চেষ্টা করি। কাল ডাল শেষ হয়ে গিয়েছিল তাই আনতে পারেনি। আগামীকাল থেকে আবার খিচুড়ি দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, এই কেন্দ্রে কোনও সহায়িকা নেই। আমি টাকা দিয়ে এই সহায়িকা রেখেছি যাতে কোনও শিশু বা মায়েদের অসুবিধা না হয়।
এই বিষয়ে সিডিপিও অনুপম নাথ বলেন, আমরা এলাকা থেকে খবর পেয়েছি। ওই দিদিমনিকে শোকজ করা হবে। শোকজের উত্তর দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



