নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। শুক্রবার সকালে কালীগঞ্জের বড়চাঁদঘর পঞ্চায়েতের ডুবতলাপাড়ায় এঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সুপারভাইজার এবং সিডিপিও ঘটনাস্থলে পৌঁছলে গ্রামবাসীরা তাঁদের ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান।
Advertisement
ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কোনও ঘর নেই। বটগাছের নীচে রান্না হয়। এলাকার মানুষের অভিযোগ, কেন্দ্রটি থেকে শিশু ও প্রসূতিদের যে খাবার দেওয়া হয়, তা অত্যন্ত নিম্নমানের। খিচুড়ির বদলে দেওয়া হয় ফেনভাত। সবজি বা ডাল কিছুই থাকে না। নিয়মিত ডিম দেওয়া হয় না। শুক্রবার সকালে অভিভাবকরা ওই কেন্দ্রে খাবার আনতে গিয়ে দেখেন, খিচুড়ির বদলে ফেনা ভাত দেওয়া হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।
ওই গ্রামের বাসিন্দা রেহানা মণ্ডল বলেন, ভাতের সঙ্গে কোনওরকম সব্জি দেওয়া হয় না। ডিমও দেওয়া হয় না। সুপারভাইজার কেন্দ্রে আসেন না। বহুদিন ধরে এই সমস্যা চলছে। সেকারণেই আমরা বিক্ষোভ দেখিয়েছি।
কালীগঞ্জ ব্লকের সিডিপিও নিকিতা আগারওয়াল বলেন, সমস্ত কেন্দ্রেই ত্রিপল দেওয়া হয়েছিল। কেউ যাতে খোলা জায়গায় রান্না না করেন, সেবিষয়ে নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি, ত্রিপল কিংবা হ্যান্ডওয়াশ কিছুই নেই। খাবার নিয়ে গ্রামবাসীরা যে অভিযোগ করছেন, তা ঠিক। এর আগেও আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম। যিনি এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দায়িত্ব আছেন,তাঁকে অফিসে ডেকেছি। আগামী দিনে গ্রামবাসীদের কোনও অভিযোগ থাকবে না।
ওই গ্রামের বাসিন্দা রেহানা মণ্ডল বলেন, ভাতের সঙ্গে কোনওরকম সব্জি দেওয়া হয় না। ডিমও দেওয়া হয় না। সুপারভাইজার কেন্দ্রে আসেন না। বহুদিন ধরে এই সমস্যা চলছে। সেকারণেই আমরা বিক্ষোভ দেখিয়েছি।
কালীগঞ্জ ব্লকের সিডিপিও নিকিতা আগারওয়াল বলেন, সমস্ত কেন্দ্রেই ত্রিপল দেওয়া হয়েছিল। কেউ যাতে খোলা জায়গায় রান্না না করেন, সেবিষয়ে নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি, ত্রিপল কিংবা হ্যান্ডওয়াশ কিছুই নেই। খাবার নিয়ে গ্রামবাসীরা যে অভিযোগ করছেন, তা ঠিক। এর আগেও আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম। যিনি এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দায়িত্ব আছেন,তাঁকে অফিসে ডেকেছি। আগামী দিনে গ্রামবাসীদের কোনও অভিযোগ থাকবে না।



