Bartaman Logo
১২ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে এক সপ্তাহের অভিযান, লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে ‘স্পট ক্লিনিং’

চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায়নি। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, গতবারের থেকেও কম আক্রান্ত শহরে। এই অবস্থায় শহরজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্র ধরে ধরে সাত দিন ধরে মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নেমেছিল পুর কর্তৃপক্ষ।

ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে এক সপ্তাহের অভিযান, লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে ‘স্পট ক্লিনিং’
  • ১৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায়নি। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, গতবারের থেকেও কম আক্রান্ত শহরে। এই অবস্থায় শহরজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্র ধরে ধরে সাত দিন ধরে মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নেমেছিল পুর কর্তৃপক্ষ। ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া রোধে শুরু হয়েছে ভেক্টর কন্ট্রোল ড্রাইভ। কর্তৃপক্ষের দাবি, লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চলেছে ক্লিনিং, স্প্রে করা হয়েছে ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়ার লার্ভানাশক ওষুধও।

Advertisement

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভেক্টর কন্ট্রোলের এই স্পেশাল ড্রাইভ দেওয়া হয়। ৬ জুলাই থেকে শুরু হয় অভিযান। প্রথম দিন ড্রাইভ চলে পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বরো অফিসে। দ্বিতীয় দিন বিভিন্ন থানা, পুলিশ কোয়ার্টার, হাউজিং এবং ট্রাফিক গার্ডে পুরকর্মীরা সাফাই করেন। তৃতীয় দিন পুরসভার স্কুলগুলিতে সাফাই অভিযান চলেছে। চতুর্থ দিন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারি বিভিন্ন অফিস ভবনে চলে ভেক্টর কন্ট্রোল ড্রাইভ। পঞ্চম দিনে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারি বিভিন্ন হাউজিং কমপ্লেক্সে এবং ষষ্ঠ দিনে পুরসভার বিভিন্ন প্রজেক্ট এরিয়ায় এই কাজ হয়। অর্থাৎ যেখানে যেখানে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি হচ্ছে, সেই সমস্ত জায়গায় সাফাই অভিযান চলেছে। সেই তালিকায় ৩২টি স্বাস্থ্য-পরিকাঠামোও রয়েছে। এর আগে দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন সরকারি আবাসনের জঞ্জাল-আগাছার জঙ্গলে পাওয়া গিয়েছে ডেঙ্গুর লার্ভা। জল জমেছে। কিন্তু অভিযোগ, আবাসন কর্তৃপক্ষ সবসময় সহযোগিতা না করায় সেভাবে আবাসনের ভিতর মশার লার্ভারোধী অভিযান সেভাবে করা যেত না। কিন্তু এবার সেই কাজ অনেক সহজেই হয়েছে। এক পুরকর্তা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসগুলিতে ভেক্টর কন্ট্রোলের কাজে আমরা ঢুকতেই পারতাম না। এখন কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের সরকার হওয়ায় সেই কাজ গতি পেয়েছে।’ পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন বিভিন্ন ক্ষেত্র ধরে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে অভিযানের ‘রোস্টার’ বানানো হয়েছিল। কবে কোথায় যাওয়া হবে, কতগুলি স্কুল, আবাসন বা অফিসে সাফাই অফিযান হবে, তার তালিকা বানানো হয়েছিল। দিনের শেষে দেখা গিয়েছে, সেই টার্গেট ছাপিয়ে আরও বেশি সংখ্যক জায়গায় ভেক্টর কন্ট্রোল ড্রাইভ দেওয়া গিয়েছে। ১৩ জুলাই শেষ হয়েছে এই অভিযান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ