Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল: ডিজিটাল এক্সরে ও এমআরআইয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে পদক্ষেপ স্বাস্থ্যদপ্তরের

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে ডিজিটাল এক্সরে ও এমআরআই পরীক্ষার সরকারি অর্থের অপচয় রোধে নতুন নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্যদপ্তর। বিস্তারিত পড়ুন।

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল: ডিজিটাল এক্সরে ও এমআরআইয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে পদক্ষেপ স্বাস্থ্যদপ্তরের
  • ১৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলিতে ডিজিটাল এক্স-রে ও এমআরআই পরীক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি অর্থের অপচয় এবং অনিয়ম রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল স্বাস্থ্যদপ্তর। বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এবিষয়ে নতুন নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেই নির্দেশ পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে এমআরআই বা ডিজিটাল এক্স-রে পরীক্ষার জন্য চিকিৎসককে প্রেসক্রিপশনে নিজের পূর্ণাঙ্গ নাম স্পষ্টভাবে লিখে স্বাক্ষর করতে হবে। পাশাপাশি কেন ওই পরীক্ষা প্রয়োজন, তার যথাযথ কারণও উল্লেখ করতে হবে। অসম্পূর্ণ বা সন্দেহজনক প্রেসক্রিপশনের ভিত্তিতে আর কোনো পরীক্ষা করা যাবে না। এমনকি এ ধরনের পরীক্ষার বিলও সরকার মঞ্জুর করবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এমআরআই পরিষেবার জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩২ লক্ষ টাকা এবং ডিজিটাল এক্স-রের জন্য প্রায় ৭ লক্ষ টাকা বিল হয়। কিন্তু সম্প্রতি জুন মাসের বিল খতিয়ে দেখতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট প্রেসক্রিপশন পাওয়া যায়নি বা তা অসম্পূর্ণ ছিল। ফলে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার বিল আপাতত আটকে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের এক আধিকারিকের দাবি, তদন্তে দেখা গিয়েছে, অনেক রোগী বাইরে বেসরকারি চেম্বারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরে হাসপাতালের কিছু কর্মী ও চিকিৎসকের সহায়তায় সরকারি ব্যবস্থায় এমআরআই বা ডিজিটাল এক্স-রে করিয়ে নিচ্ছিলেন। এতে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।
রাজ্যের নতুন সরকারের কড়া অবস্থানের জেরে এবার থেকে প্রতিটি প্রেসক্রিপশনের ক্ষেত্রে চিকিৎসককে ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। স্বাস্থ্যদপ্তরের আশা, এই নতুন নিয়ম চালু হলে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা কমবে, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ হবে এবং সরকারি হাসপাতালের পরিষেবায় আরও স্বচ্ছতা আসবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ