ডিম চাই-ই চাই!
ডিম চাই-ই চাই!
ডিম খাওয়ার অভ্যাস মা ছোটো থেকেই তৈরি করে দিয়েছিল। হয় রোজ সকালে, নয়তো বাড়ি ফিরে ডিম চাই-ই চাই! পাতে একটা করে ডিম ব্রেকফাস্টের অঙ্গ। আমার ছেলেও ডিম বলতে অজ্ঞান! এখনকার ছেলেমেয়েরা এমনিতেই শাকসবজি খেতে চায় না।
ভেগান বা নিরামিষাশীদের কথা আলাদা। কিন্তু সিংহভাগ বাচ্চাই ডিম পছন্দ করে। ডিমে সবগুলো অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। একটা ডিম ছোট্ট শরীরগুলোর অনেকটা পুষ্টিগুণ ভরাট করতে পারে। মাছ-মাংসের চেয়ে দামও কম। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা বহু পরিবার ডিমের উপর ভর করে পুষ্টি পেতে পারেন।
অন্তরা হালদার
চাকরিজীবী, সোনারপুর
একনাগাড়ে সয়াবিন খেতে পারব না
আমি ভোজনরসিক মানুষ। আমিষ নিরামিষ সব ভালোবাসি। এখন সব সয়া বড়ি পাওয়া যায়। ভালো করে রান্না করলে খেতেও ভালো। বহু ছাত্রছাত্রীর বাড়িতে রান্না হয়। এর পুষ্টিগুণ আছে। তবে সেটাও ডিমের চেয়ে বেশি নয়।
বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেরই মাঝেসাঝে মুখ বদলাতে সয়াবিন ভালো লাগতে পারে, কিন্তু একনাগাড়ে সয়াবিন খেতে পারবেন না অনেকেই। কিন্তু একনাগাড়ে ডিম খেতে অসুবিধা নেই।
বিজন দে
শিক্ষক, বাগবাজার
লিখেছেন মনীষা মুখোপাধ্যায়